জানা যায়, কয়েক মাস আগে স্কুলশিক্ষক আদালতে তার নারী সহকর্মীকে তালাক দেওয়া সংক্রান্ত একটি অ্যাফিডেভিট করেন। কিন্তু বিয়ে না করেও তালাক দেওয়ার ঘটনার প্রাথমিক সত্যতা পাওয়া গেছে। ওই নারী শিক্ষকের অভিযোগটি আদালত মামলা হিসেবে নথিভুক্ত করতে হবিগঞ্জ সদর মডেল থানার পুলিশকে নির্দেশনা দিলে গত বৃহস্পতিবার রাতে ওই শিক্ষককে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। শুক্রবার আদালতের নির্দেশে তাকে কারাগারে পাঠানো হয়।
প্রধান শিক্ষক কাজী কামাল উদ্দিন বলেন, শিক্ষিকার অভিযোগের পরিপ্রেক্ষিতে ম্যানেজিং কমিটির সিদ্ধান্তে গত জুলাই মাসে শিক্ষক আনোয়ার হোসেনকে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়েছে।
.png)
হবিগঞ্জ সদর মডেল থানার পরিদর্শক (তদন্ত) বদিউজ্জামান বলেন, ওই শিক্ষকের সঙ্গে শিক্ষিকার বিয়েই হয়নি। স্ত্রীর সন্দেহ দূর করতেই অ্যাফিডেভিট করেন ওই শিক্ষক।