বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন রামগিত থানার ওসি সাইফুদ্দিন আনোয়ার।
অভিযুক্ত সুমন চট্টগ্রামের বাসিন্দা। নিহতরা হলেন- বাদশা মিয়া ও তার মেয়ে রাশেদা আক্তার। আহত আঙ্কুরী বেগম নিহত বাদশা মিয়ার স্ত্রী। ঘটনার পর থেকে সুমন পলাতক রয়েছেন।
.png)
স্থানীয়রা জানান, বিয়ের পর থেকেই সুমন স্ত্রী রাশেদাকে মারধর করতেন। তাই রাশেদাকে তার বাবা-মা নিজের বাড়িতে নিয়ে চলে আসেন। পরে তাকে এলাকায় অন্য এক যুবকের সঙ্গে বিয়ে দেন। তবে সুমন তার স্ত্রীর বিয়ের বিষয়টি জানতেন না।
বুধবার সন্ধ্যায় সুমন তার স্ত্রীকে নিতে আসলে বিয়ের বিষয়টি জানতে পারেন। পরে বাগবিতণ্ডার একপর্যায়ে ধারালো অস্ত্র দিয়ে স্ত্রী রাশেদা, শ্বশুর বাদশা ও শাশুড়ি আঙ্কুরী বেগমকে কুপিয়ে পালিয়ে যান সুমন। এ সময় ঘটনাস্থলেই রাশেদা ও তার বাবা বাদশা মারা যান। আহত অবস্থায় আঙ্কুরীকে উদ্ধার করে নোয়াখালী জেনারেল হাসপাতালে নেয়া হয়েছে।
রামগতি থানার ওসি সাইফুদ্দিন আনোয়ার বলেন, খবর পেয়ে ঘটনাস্থল এসেছি। মরদেহগুলো উদ্ধার করে সদর হাসপাতালে মর্গে পাঠানো হবে। এ ব্যাপারের দ্রুত আইনানুগ ব্যবস্থা নেয়া হবে।