বুধবার বিভাগীয় স্বাস্থ্য পরিচালকের দফতর থেকে এসব তথ্য জানানো হয়েছে।
ডেঙ্গুতে মৃত ব্যক্তিরা হলেন- বরিশাল নগরীর কাউনিয়া এলাকার কাঞ্চন আলী, সাগরদী এলাকার বাসন্তী, বানারীপাড়া উপজেলার রুশিয়া, বাকেরগঞ্জ উপজেলার আনোয়ারা বেগম, মেহেন্দিগঞ্জ উপজেলার মনোয়ারা, বরগুনার আমতলী উপজেলার নুরুল আমিন ও পটুয়াখালীর গলাচিপার বাকের হাওলাদার। এর মধ্যে বাকের গলাচিপা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে এবং বাকি ছয়জন বরিশাল শের-ই-বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যান।
.png)
বিভাগীয় স্বাস্থ্য অধিদফতর জানায়, গত ২৪ ঘণ্টায় বিভিন্ন সরকারি হাসপাতালে ভর্তি হওয়া ৪১৯ জন ডেঙ্গু রোগীর মধ্যে সর্বোচ্চ ৭৯ জন বরিশাল শের-ই-বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন। এছাড়া ৪৭ জন পটুয়াখালী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন। এই দুই হাসপাতালে বর্তমানে ৩৬৬ জন ডেঙ্গু রোগী চিকিৎসাধীন রয়েছেন। এছাড়া বরিশাল জেলার অন্যান্য হাসপাতালে ৪৭, পটুয়াখালীতে ৫৯, ভোলায় ৪৬, পিরোজপুরে ৬৫, বরগুনায় ৬৭ ও ঝালকাঠিতে নয়জন ডেঙ্গু রোগী ভর্তি হয়েছেন।
সূত্রটি আরো জানায়, চলতি বছরের ১ জানুয়ারি থেকে এ পর্যন্ত বরিশাল বিভাগের হাসপাতালগুলোতে ১৮ হাজার ১৮৫ জন ডেঙ্গু রোগী ভর্তি হয়েছেন। আর সুস্থ হয়ে বাড়ি ফিরেছেন ১৬ হাজার ৯৬০ জন। এদিকে চলতি বছর গোটা বিভাগে ৬৫ জন ডেঙ্গু রোগী মারা গেছেন।
বিভাগীয় স্বাস্থ্য অধিদফতরের পরিচালক ডা. শ্যামল কৃষ্ণ দাস জানান, ডেঙ্গু আক্রান্ত রোগীদের সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিয়ে চিকিৎসাসেবা দেওয়ার জন্য বিভাগের সব সরকারি হাসপাতালে নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। তবে ডেঙ্গু প্রতিরোধে প্রধান কাজ সচেতনতা।