জানা গেছে, বালু মহাল ও মাটি ব্যবস্থাপনা আইন অনুযায়ী সড়ক, কালভার্ট, বিভিন্ন স্থাপনার সর্বনিম্ন এক কিলোমিটারের মধ্যে নদী, খাল ও পুকুর থেকে ড্রেজার মেশিন দিয়ে বালু তোলা যাবে না।
উপজেলার আরপাঙ্গাশিয়া ইউপির মধ্যে তারিকাটা গ্রামে চাঁন মিয়া বয়াতির বাড়িসহ বিভিন্ন বাড়িতে বোমা মেশিন দিয়ে খাল থেকে অবৈধভাবে বালু তুলছেন প্রভাবশালীরা। মো. কবির হোসেন নামের এক ব্যক্তি ওই খাল থেকে বালু তুলছেন তার বোমা মেশিন দিয়ে ।
.png)
সরেজমিন দেখা গেছে, উপজেলার আড়পাঙ্গাশিয়া, কুকুয়াসহ বিভিন্ন ইউপির বিভিন্ন স্থানে অবৈধ বোমা মেশিন রয়েছে। এ সকল মেশিনগুলোর মালিকরা উপজেলার বিভিন্নস্থানে ঘুরে ঘুরে গ্রামের পরিত্যক্ত খাল, ডোবা ও পুকুর থেকে বালু তুলছে।
নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক বোমা মেশিন মালিকরা জানান, নিচু জমি ভরাট, বাসা-বাড়ি ও নির্মাণ কাজসহ বিভিন্ন কাজের জন্য স্বল্প খরচে বালু তুলে তা বিক্রি করেন। দাম নির্ভর করে দূরত্বের ওপর।
জানা যায়, বোমা মেশিন দিয়ে বালু তোলা সম্পূর্ণ অবৈধ। বালু তুলতে হলে সরকার স্বীকৃত নির্ধারিত বালু মহাল থেকে তা তুলতে হয়। পুকুর বা ডোবা থেকে বালু তোলার সময় সেখানে যে শূন্যস্থান তৈরি হয় তার কারণে আশপাশের ভূমি বা ভূমিতে অবস্থিত রাস্তা-ঘাট, ফসলি জমি, গাছপালা ও বিভিন্ন স্থাপনা মারাত্মক ঝুঁকিতে পড়তে পারে।
অবৈধ বোমা মেশিন (ড্রেজার) মালিক কবির হোসেন বলেন, ‘আমাদের ড্রেজার মেশিন অবৈধ এটা আমরা জানি কিন্তু আমতলীতে আমরা একা না অনেকেই অবৈধ ড্রেজার মেশিন চালাচ্ছে, তারা যদি বন্ধ হয় তাহলে আমরাও বন্ধ করবো।’
আমতলী উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মোহাম্মাদ আশরাফুল আলম বলেন, অবৈধ বোমা মেশিন দিয়ে যারা বালু তুলছেন তাদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেয়া হবে।