রোববার দিবাগত রাতে মাওনা হাইওয়ে থানা এলাকা থেকে তাদের গ্রেফতার করা হয়। মাওনা হাইওয়ে থানার ওসি কংকন কুমার বিশ্বাস গ্রেফতারের সত্যতা নিশ্চিত করেছেন।
নিহত পোশাক শ্রমিক চম্পা বেগম ময়মনসিংহ জেলার ঈশ্বরগঞ্জ উপজেলার নিজগাঁও গ্রামের আবুল কালামের স্ত্রী এবং একই গ্রামের সুরুজ আলীর মেয়ে।
.png)
গ্রেফতার চালক নজরুল ইসলাম (৩৮) শেরপুর জেলার ঝিনাইগাতি উপজেলার আয়নাপুর গ্রামের আব্দুল জব্বারের ছেলে ও সহকারীকে (হেলপার) জয়নাল (২৮) ময়মনসিংহের পাগলা থানার বিল মাখল গ্রামের প্রয়াত আবুল কাশেমের ছেলে।
মাওনা হাইওয়ে থানার ওসি কংকন কুমার বিশ্বাস জানান, শুক্রবার (৮ সেপ্টেম্বর) দিবাগত রাত পৌনে ৯টায় চম্পা নয়নপুর এলাকার বোনের বাসা থেকে গড়গড়িয়া মাস্টারবাড়ি এলাকায় ভাড়া বাসায় যাওয়ার জন্য নয়নপুর থেকে তাকওয়া পরিবহনে উঠেন। মিনিবাসে উঠার পর বাসের চালকের সহকারীর (হেলপার) সঙ্গে তুচ্ছ ঘটনা নিয়ে তর্কে জড়িয়ে পড়েন। এ সময় হেলপার ঢাকা-ময়মনসিংহ মহাসড়কের উপজেলার এমসি বাজার এলাকায় চলন্ত বাস থেকে ধাক্কা দিয়ে চম্পা বেগমকে ফেলে দেন।
পরদিন নিহতের ভাই জহিরুল ইসলাম বাদী হয়ে শ্রীপুর থানায় সড়ক পরিবহন আইনে অজ্ঞাতদের বিরুদ্ধে একটি মামলা দায়ের করেন। পরে হাইওয়ে পুলিশ অভিযুক্ত ওই বাসের চালক ও তার সহকারীকে গ্রেফতারে বিভিন্ন জায়গায় অভিযান চালায়। রোববার (১০ সেপ্টেম্বর) দিবাগত রাতে মাওনা হাইওয়ে থানা এলাকা থেকে তাদের গ্রেফতার করা হয়। পরে সোমবার আদালতের মাধ্যমে তাদের জেলহাজতে প্রেরণ করা হয়েছে।