ঢাকা,  মঙ্গলবার   ০৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২৩ ভাদ্র ১৪৩৩

Advertisement
[ দেশজুড়ে ]

প্রেমিকের সঙ্গে উধাও সপ্তম শ্রেণির ছাত্রী, অপহরণ মামলা মায়ের

নোয়াখালী প্রতিনিধি
প্রকাশিত: ১৫:২৮, ৩ সেপ্টেম্বর ২০২৩
প্রেমিকের সঙ্গে উধাও সপ্তম শ্রেণির ছাত্রী, অপহরণ মামলা মায়ের
ফাইল ফটো

প্রেমের টানে দুইবার উধাও হয় সপ্তম শ্রেণির এক স্কুলছাত্রী। প্রথমবার উদ্ধারের পর মায়ের হাতে তুলে দেওয়া হয়। এরপর আবারো বাড়ি থেকে পালিয়ে যায় সে। এ ঘটনায় থানায় অপহরণ মামলা করেন ওই ছাত্রীর মা। ঘটনাটি ঘটেছে নোয়াখালীর কবিরহাটে।

মামলায় শনিবার রাতে ফেনীর মহিপাল এলাকা থেকে ওই ছাত্রীকে উদ্ধার করেছে পুলিশ। রোববার সকালে তাকে আদালতে পাঠানো হয়েছে। ওই ছাত্রী কবিরহাট উপজেলার চাপরাশিরহাট ইউনিয়নের এক সৌদি আরব প্রবাসীর মেয়ে। সে স্থানীয় একটি স্কুলের সপ্তম শ্রেণির শিক্ষার্থী।

মামলা সূত্রে জানা যায়, স্কুলে আসা-যাওয়ার পথে ওই ছাত্রীকে উত্যক্ত করতো কোম্পানীগঞ্জ উপজেলার সিরাজপুর ইউনিয়নের ৯ নম্বর ওয়ার্ডের শাহজাদপুর গ্রামের  শাহজাহানের ছেলে রুবায়েত। গত মঙ্গলবার (২৯ আগস্ট) সকাল ৮টার দিকে রামেশ্বরপুর গ্রামের বাহার মিয়ার দোকান সংলগ্ন এলাকা থেকে রুবায়েত ও তার সহযোগীরা ওই ছাত্রীকে তুলে নিয়ে যায়।

Advertisement

জানা গেছে, সাতদিন আগেও প্রেমের টানে প্রেমিক রুবায়েতের সঙ্গে পালিয়ে যায় ওই ছাত্রী। পরে পুলিশের সহায়তায় তাকে উদ্ধার করে মায়ের হাতে তুলে দেন চাপরাশিরহাট ও সিরাজপুর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যানরা। কিন্তু সে গত ২৯ আগস্ট আবারো স্বেচ্ছায় প্রেমিকের হাত ধরে উধাও হয়ে যায়।

সিরাজপুর ইউপি চেয়ারম্যান নাজিম উদ্দিন মিকন বলেন, প্রেমিক রুবায়েতের মা আমার পরিষদের সংরক্ষিত নারী সদস্য। ঘটনাটি শুনে অপ্রাপ্তবয়স্ক মেয়েকে কৌশলে উদ্ধার করে তার মায়ের হাতে তুলে দিয়েছি। তবে ওই ছাত্রী সেদিনও তার পরিবারের সঙ্গে যেতে চায়নি। পরে আবারো পালিয়ে যায়।

মামলার বাদী বলেন, প্রেমের বিষয়টি জানতে পেরে মেয়েকে অনেক বুঝিয়েছি। ছেলেকে নিবৃত করতে তার বাবাকেও বিষয়টি জানিয়েছি। কিন্তু কিছুতেই নিয়ন্ত্রণ করা যায়নি। প্রথমবার বাড়িছাড়া হয়ে মেয়ে দুইদিন নিখোঁজ ছিল। উদ্ধারের সাতদিন পর আবারো উধাও হয়ে গেলে থানায় অপহরণ মামলা করি।

কবিরহাট থানার ওসি মো. রফিকুল ইসলাম বলেন, অভিযান চালিয়ে ফেনীর মহিপাল এলাকা থেকে ওই ছাত্রীকে উদ্ধার করা হয়। অপহরণ মামলায় তাকে রোববার সকালে আদালতের মাধ্যমে ডাক্তারি পরীক্ষার জন্য পাঠানো হয়।

ডেইলি-বাংলাদেশ/এসআরএস
লিংক সফলভাবে কপি হয়েছে!