বাগমারা থানার ওসি আমিনুল ইসলাম ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করেছেন।
নিহত আবদুর রাজ্জাক (৩১) উপজেলার বাসুপাড়া ইউনিয়নের সাইপাড়া গ্রামে রফিকুল ইসলামের ছেলে। অভিযুক্ত নারী শাপলা খাতুন (১৮) মোহনপুর উপজেলার ধুরইল গ্রামের মো. শুকুরদীর মেয়ে।
.png)
পুলিশ জানায়, রাজ্জাক পেশায় একজন নির্মাণশ্রমিক ছিলেন। এর আগেও তার বিয়ে হয়েছিল। আগের স্ত্রীর সঙ্গে ছাড়াছাড়ি হওয়ায় শুক্রবার (২৫ আগস্ট) পার্শ্ববর্তী মোহনপুর উপজেলার শাপলার সঙ্গে তার বিয়ে হয়। শাপলারও এটি দ্বিতীয় বিয়ে ছিল। সোমবার দিবাগত রাতে স্বামীকে বালিশচাপায় হত্যার পর ঘরেই ছিলেন শাপলা খাতুন। সকালে পরিবারের সদস্যরা হত্যাকাণ্ডের বিষয়টি বুঝতে পারলে পুলিশে খবর দেন। এরপর পুলিশ গিয়ে শাপলাকে আটক করে। সকালে রাজ্জাকের মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য রাজশাহী মেডিকেল কলেজের মর্গে পাঠানো হয়। দুপুরে আটক শাপলাকে গ্রেফতার দেখিয়ে আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হয়েছে।
ওসি আমিনুল ইসলাম বলেন, শাপলা খাতুন একেকবার একেক কথা বলছেন। তিনি কখনো বলছেন, তারা স্বামী-স্ত্রী একে অপরের সঙ্গে বালিশচাপা খেলা খেলতেন। এতে দুর্ঘটনাবশত রাজ্জাকের মৃত্যু হয়েছে। আবার কখনো বলছেন, তার স্বামী শারীরিকভাবে অক্ষম ছিলেন। এ কারণে রেগে গিয়ে তাকে বালিশচাপা দিয়েছিলেন।
ওসি আরও বলেন, ধারণা করা হচ্ছে, শারীরিক অক্ষমতার কারণেই শাপলা তার স্বামীকে খুন করেছেন। কারণ, একই কারণে আগের স্ত্রীর সঙ্গে রাজ্জাকের ছাড়াছাড়ি হয়ে গিয়েছিল।