রোববার সন্ধ্যায় উপজেলার আমাদী ইউনিয়নের গড় আমাদী সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের বাথরুমের ট্যাংকির পাশ থেকে তাকে উদ্ধার করা হয়। ওই সময় অজ্ঞান ছিল আরাফাত।
শিশু আরাফাত কয়রা উপজেলার ভান্ডারপোল ইউনিয়নের প্রবাসী মো. আক্তার হোসেনের ছেলে। স্থানীয় একটি হাফিজিয়া মাদরাসার ছাত্র সে।
.png)
এলাকাবাসী জানায়, গড় আমাদী সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের পেছনে বাথরুমের ট্যাংকির পাশে অচেতন অবস্থায় সাদা কাপড় দিয়ে হাত-পা ও মুখ বাঁধা অবস্থায় আরাফাতকে দেখতে পান স্থানীয়রা। এ সময় তাকে উদ্ধার করে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়।
কয়রা থানার ওসি মিজানুর রহমান বলেন, খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে পুলিশ পাঠানো হয়েছিল। শিশুটির এখনো অচেতন। জ্ঞান ফিরলে তার কাছ থেকে বিষয়টি জানা যাবে।