বৃহস্পতিবার রাত সাড়ে ১১টার দিকে মণিরামপুর-ঢাকুরিয়া সড়কের জয়পুর কাচারিবাড়ি নামক স্থানে এ ঘটনা ঘটে। নিহত সুবাস দাস জয়পুর গ্রামের কৃষ্ণ দাসের ছেলে। তিনি আলমসাধু চালাচ্ছিলেন।
আহতরা হলেন- ঢাকুরিয়া গ্রামের সৌরভ দাস (২৫), প্রদীপ দাস (১৬), প্রেম দাস (১৪) ও মহাদেবপুর গ্রামের সুমঙ্গল দাস (১৮)। তাদের মধ্যে সৌরভ দাস ও প্রেম দাসকে যশোর জেনারেল হাসপাতালে রেফার্ড করা হয়েছে।
.png)
ঢাকুরিয়া ইউনিয়ন পরিষদের স্থানীয় ইউপি সদস্য আবুল কালাম আজাদ বলেন, বৃহস্পতিবার রাতে বৃষ্টি হচ্ছিল। বৃষ্টির মধ্যে মণিরামপুরের দিক থেকে দ্রুতগতিতে একটি মোটরসাইকেল মণিরামপুর বাজারের দিক থেকে ঢাকুরিয়া বাজারের দিকে যাচ্ছিল। মোটরসাইকেলে চালকসহ তিনজন ছিলেন। এ সময় ঢাকুরিয়া বাজারের দিক থেকে একজনকে নিয়ে আলমসাধু চালিয়ে মণিরামপুরের দিকে যাচ্ছিলেন সুবাস দাস। তারা জয়পুর কাচারিবাড়ি নামক স্থানে পৌঁছলে এ দুর্ঘটনা ঘটে।
মেম্বার আবুল কালাম বলেন, মোটরসাইকেল রং সাইড দিয়ে যাচ্ছিল। তাকে বাঁচাতে গিয়ে আলমসাধু রাস্তার পাশে গাছের সঙ্গে ধাক্কা লাগে। এতে আলমসাধুচালক ঘটনাস্থলেই মারা গেছেন।
মণিরামপুর হাসপাতালের জরুরি বিভাগের ওয়ার্ডবয় আক্তার হোসেন বলেন, দুর্ঘটনার পর স্থানীয়রা পাঁচজনকে উদ্ধার করে হাসপাতালে এনেছেন। আমরা সুবাস দাসকে মৃত অবস্থায় পেয়েছি। আহতদের মধ্যে সৌরভ দাস ও প্রেম দাসের অবস্থা আশঙ্কাজনক হওয়ায় তাদের যশোর জেনারেল হাসপাতালে রেফার্ড করা হয়েছে। বাকি দুইজন চিকিৎসা নিয়ে বাড়ি ফিরেছেন।
মণিরামপুর থানার ওসি শেখ মনিরুজ্জামান বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। ওসি বলেন, এ ব্যাপারে আইনগত ব্যবস্থা নেয়া হচ্ছে।