এর আগে সকালে কাপড় ধোয়ার জন্য পুকুরে এসে নিখোঁজ হন তিনি। মৃত হালিমা বেগম সরুই কবরখানা রোডের ইসমাইল হোসেনের মেয়ে। তিনি দীর্ঘদিন ঐ এলাকায় তার ভাই নুরুল ইসলামের বাড়িতে থাকতেন।
মৃতের ভাতিজা ইমরান বলেন, হালিমা ফুফু প্রতিদিন সকালে শহরের মিঠা পুকুরে কাপর ধোয়ার জন্য আসতেন। আজ সকালে তিনি পুকুরে এসে আর বাসায় ফেরেননি। দেরি হওয়ায় পুকুরের ঘাটে চলে আসি আমরা। পরে পুকুর পাড়ে তার কাছে থাকা বালতি ও কাপড় দেখতে পাই। অনেক খোঁজাখুঁজির পর দুপুরে মিঠা পুকুরে তার মরদেহটি ভাসতে দেখে লোকজন আমাদের খবর দেন। ফুফু সাঁতার জানতেন না। তাই অসাবধানতাবশত পুকুরে পড়ে গিয়ে আর উঠতে পারেননি।
.png)
মরদেহটি পাড়ে নিয়ে আসা লাল মিয়া বলেন, এক নারী জানান পুকুরের মধ্যে মনে হয় একজন মরা মানুষ ভাসছে। পাড় থেকে স্পষ্টভাবে বোঝা যাচ্ছিল না। পরে পুকুরে নেমে দেখি একজন নারীর মরদেহ ভাসছে। এরপর মরদেহটি পুকুরের পাশে নিয়ে আসি।
বাগেরহাট মডেল থানার ওসি কেএম আজিজুল ইসলাম বলেন, ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছি। মরদেহের শরীরে কোনো ক্ষত পাওয়া যায়নি। এছাড়া কোনো অভিযোগ না থাকায় মরদেহ দাফনের জন্য পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে।