জানা যায়, চলতি আমন মৌসুমে ভেড়ামারার উপজেলার ছয়টি ইউনিয়ন ও পৌর এলাকায় প্রায় ১৭ হাজার হেক্টর জমিতে আমন ধানের চাষ হয়েছে। এ বছর আষাঢ় মাসে পর্যাপ্ত বৃষ্টিপাত না হওয়ায় আমন চাষের প্রায় আশি ভাগ জমিতে সেচের মাধ্যমে ধান রোপণ করা হয়েছে। আষাঢ় শেষে শ্রাবণেও আশানুরুপ বৃষ্টি না হওয়ায় সেচের পানি নিয়েই আমন চাষের কার্যক্রম চালাতে হয়েছে।
এমতাবস্থায় আমন উৎপাদনে কৃষকের বিঘা প্রতি খরচ কমপক্ষে পাঁচ হাজার টাকা বাড়বে বলে তারা জানান। তারপরেও আমন ধান পুরোপুরি সেচ নির্ভর হলে ধান ক্ষেতে নানা রকম রোগবালাই লেগেই থাকে। হঠাৎ গত কয়েকদিন ধরে মুষলধারে না হলেও ঝিরিঝিরি করে প্রতিদিনই প্রায় বৃষ্টি হচ্ছে। ফলে প্রায় ১০ দিন ধরে সেচ পাম্পগুলো বন্ধ রয়েছে। কৃষকরা পুরোদমে ব্যস্ত সময় পার করছেন আমন ক্ষেত পরিচর্যার কাজে।
.png)
উপজেলার চর গোরাপ নগর গ্রামের আমন চাষি আমিরুল ইসলাম, আলীম ও করিমসহ আরো অনেকে জানান, থেমে থেমে শ্রাবণের যে বৃষ্টিটুকু হচ্ছে তাতেই আমন ধানের বেশ উপকার হচ্ছে।
উপজেলার রামকৃষ্ণপুর গ্রামের আমন চাষি খেজমত, নুরুল ইসলাম ও জহির উদ্দীন জানান, বর্তমানে যে বৃষ্টিপাত হয়েছে তাতেই মাঠে আমন ধানের চেহারায় পরিবর্তন এসেছে। শ্রাবণে বৃষ্টি কম হলেও প্রতিদিন বৃষ্টি হওয়াতে আমন ধানের অবস্থা ভালো।
ভেড়ামারা উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা শায়কুল ইসলাম বলেন, চলতি মৌসুমে আষাঢ় মাসে বৃষ্টিপাত কম হওয়ায় আমন ধানের চাষ নিয়ে আমরা দুশ্চিন্তায় ছিলাম। শ্রাবণের শেষে এসে হালকা বৃষ্টি আমাদের আশা যুগিয়েছে। বর্তমানে ভেড়ামারা উপজেলার মাঠে মাঠে ধানের সবুজ চারা স্বপ্ন দেখাচ্ছে চাষিদের।