রোববার দিবাগত রাত ৩টার দিকে সোনাতলা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তাসলিমার মৃত্যু হয়। এর আগে, ঐদিন রাত সাড়ে ১১ টার দিকে ওই উপজেলার বালুয়াপাড়া গ্রামে নিজ ঘরেই ধারালো কিছু দিয়ে তাকে আঘাত করা হয়।
নিহত তাসলিমার স্বামীর নাম জহির হোসেন। জহির উপজেলার বালুয়াপাড়া গ্রামের জিন্না বেপারির ছেলে। আর নিহত তাসলিমা জেলার গাবতলী উপজেলার চামুরপাড়া গ্রামের রফিকুল ইসলামের মেয়ে।
.png)
মেয়ে খুনের ঘটনায় রফিকুল তিনজনকে আসামি করে সোনাতলা থানায় মামলা করেন। মামলায় জহিরসহ তার বাবা-মাকে অভিযুক্ত করা হয়েছে বলে জানান সোনাতলা থানার ওসি মো. সৈকত হাসান।
নিহতের স্বজনদের বরাত দিয়ে ওসি বলেন, পারিবারিক নানা বিষয় নিয়ে রাতে জহির ও তাসলিমা বাগবিতণ্ডা শুরু হয়। এরই একপর্যায়ে ধারালো কিছু দিয়ে তাসলিমার পেটে আঘাত করেন জহির। ওই সময় স্বজনরা তাসলিমাকে উদ্ধার প্রথমে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেন। সেখানে তার মৃত্যু হয়। এ মামলার জহিরের বাবা-মাকে গ্রেফতার করা হয়েছে। জহিরকে গ্রেফতারে অভিযান চলছে।