এদিকে পাহাড়ি ঢলের কারণে চট্টগ্রামের বেশ কয়েকটি উপজেলায় পানিবন্দি হয়ে পড়ে প্রায় ৭ লাখ মানুষ। বিশেষ করে সাতকানিয়া ও লোহাগাড়া উপজেলা এলাকা কোমর পানিতে তলিয়ে যায়। পাশাপাশি চন্দনাইশ, বাঁশখালী, পটিয়া, রাউজানের অধিকাংশ এলাকায় পানিবন্দি হয়ে পড়ে অসংখ্য মানুষ। বানের পানিতে তলিয়ে গেছে, পুকুর, ডোবা, ফসলের ক্ষেত।
স্থানীয়রা জানিয়েছেন, সাতকানিয়া ও লোহাগাড়া এলাকার অসংখ্য পুকুর পাহাড়ি ঢলের পলি জমে ভরাট হয়ে গেছে।
.png)
পানিতে তলিয়ে সোমবার রাত থেকে কিছু গাড়ি সাবধানে চলাচল করলেও পানি বাড়তে থাকায় মঙ্গলবার সকাল থেকে বড় যানবাহন, বাস, ট্রাক চলাচল প্রায় বন্ধ হয়ে যায় চট্টগ্রাম-কক্সবাজার মহাসড়কে। তবে বৃহস্পতিবার সকালে মহাসড়ক থেকে পানি নেমে যাওয়ায় গাড়ি চলাচল শুরু হয়।
দোহাজারী হাইওয়ে থানার ওসি খান মোহাম্মদ এরফান জানান, বৃহস্পতিবার সকাল থেকে চট্টগ্রাম-কক্সবাজার মহাসড়কে গাড়ি চলাচল শুরু হয়েছে। ধীরে ধীরে গাড়ির সংখ্যাও বাড়ছে।