রোববার দুপুরে উপজেলার হরিহরনগরের রুপসপুর হায়দারনগর মাঠ থেকে লাশটি উদ্ধার করা হয়। নিহত জাহাঙ্গীর আলম রুপসপুর গ্রামের নায়েব আলী ছেলে।
জানা যায়, চারদিন আগে বাড়ি থেকে বের হন জাহাঙ্গীর আলম। এরপর থেকে নিখোঁজ ছিলেন তিনি। তার পরিবারের লোকজন এ ঘটনায় মণিরামপুর থানায় সাধারণ ডায়েরি করেন। রোববার দুপুরে জাহাঙ্গীরের বাবা নায়েব আলী বাড়ি থেকে হায়দারনগর মাঠে তাদের আলু ক্ষেতে যান। সেখানে তিনি দুর্গন্ধ পান। দুর্গন্ধের কারণ খুঁজতে গিয়ে আলু গাছের নিচে ছেলের অর্ধগলিত লাশ দেখতে পান। এ সময় তার চিৎকারে আশপাশের লোকজন ছুটে আসেন। পরে পুলিশ লাশ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য যশোর সদর হাসপাতাল মর্গে পাঠায়।
.png)
এ বিষয়ে নিহতের দাদা আবু তালেব বলেন, জাহাঙ্গীর কৃষি কাজের পাশাপাশি এলাকায় রঙের কাজ করতেন। কেউ তাকে হত্যা করে আলু গাছের নিচে লুকিয়ে রেখে গেছে।
মণিরামপুর থানার ওসি শেখ মনিরুজ্জামান জানান, খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে গিয়ে ঐ কৃষকের লাশ উদ্ধার করা হয়েছে। ময়নাতদন্তের পরে মৃত্যুর কারণ জানা যাবে।