বৃহস্পতিবার দুপুরে নারায়ণগঞ্জ ১০০ শয্যাবিশিষ্ট জেনারেল হাসপাতাল ফামের্সী পয়েন্টের সামনে এ ঘটনা ঘটে। মৃত হানিফ ফতুল্লা থানাধীন পঞ্চবটি এলাকার কাশেম মাদবরের ভাড়াটিয়া আব্দুর রাজ্জাকের ছেলে।
হানিফের ভাই লাদেন হোসেন জানান, বৃহস্পতিবার দুপুরে শরীরের ব্যাথা নিয়ে তার ভাই হাসপাতালে আসেন। ওই সময়ে জরুরী বিভাগের ডাক্তার প্রেসক্রিপশনে দুটি ওষুধ লিখে দেন। ওই সময় হাসপাতাল ও একতা নামে ক্লিনিকের দালাল ইয়ামিন এসে হানিফকে হাসপাতালের বাইরে ফার্মেসি পয়েন্ট নামে ওষুধের দোকানে নিয়ে যান। ওই ফার্মেসিতে হানিফের শরীরে একটি ব্যাথানাশক ইনজেকশন পুশ করে দেয়। পরে অবস্থার অবনতি হলেও তাকে ফের হাসপাতালে নেয়া হয়। পরে তাকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেয়ার পথে মারা যান তিনি। ঘটনার পর থেকে শান্তকে আর পাওয়া যায়নি। সে হাসপাতালের দালাল হিসেবে চিহ্নিত।
.png)
জেনারেল (ভিক্টোরিয়া) হাসপাতালের আবাসিক চিকিৎসক (আরএমও) শেখ ফরহাদ জানান, আমাদের প্রেসক্রিপশনে কোনো ব্যাথানাশক ইনজেকশনের কথা লেখা হয়নি। রোগীকে বাইরে নিয়ে ইনজেকশন দেওয়া হয়েছে। এই বিষয়ে তারা অবগত নন।