মঙ্গলবার দুপুরে ভূঞাপুর থানার ওসি মুহাম্মদ ফরিদুল ইসলাম এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।
এরআগে সোমবার (৩১ জুলাই) রাতে উপজেলার গাবসারা ইউনিয়নের পুংলিপাড়া এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। আটককৃতরা হলেন- উপজেলার খুপিবাড়ী গ্রামের আব্দুল আজিজের ছেলে কাওসার (২২), ছাব্বিশা গ্রামের নূরুল ইসলামের ছেলে রাকিব মিয়া (২৫) এবং ফসলান্দি গ্রামের শামসুল হকের ছেলে সিফাত (২৫)।
.png)
কাপড় ব্যবসায়ী জাহাঙ্গীর হোসেন বলেন, সোমবার সন্ধ্যায় বাড়ির পাশে যমুনা নদীর পাড়ে বসেছিলাম। হঠাৎ কাওসারের নেতৃত্বে ৭-৮ জন যুবক ভুয়া পুলিশ পরিচয়ে আমার কাছে ১০ লাখ টাকা চাঁদা দাবি করেন। পরে টাকা দিতে অস্বীকার করলে আমাকে হাত ও মুখ বেঁধে পাটক্ষেতে নিয়ে মারধর করাসহ হত্যার হুমকি দেন।
একপর্যায়ে কাওসারকে বাড়িতে পাঠালে তিনি আমার স্ত্রীর কাছ থেকে ৫০ হাজার টাকা নিয়ে আসেন এবং মোবাইলের বিকাশে থাকা ১৮ হাজার টাকা জোরপূর্বক নিয়ে নেন। পরে পরিবারের লোক এসে আমাকে উদ্ধার করেন এবং তাদের ধাওয়া দিয়ে ৩ জনকে আটক করেন। বাকিরা পালিয়ে যান। পরে পুলিশে খবর দিলে তাদের আটক করে থানায় নিয়ে যায়।
এ বিষয়ে ভূঞাপুর থানার ওসি মুহাম্মদ ফরিদুল ইসলাম জানান, কাপড় ব্যবসায়ীকে মারধরের অভিযোগে তিনজনকে আটক করা হয়েছে। আটককৃতরা ওই কাপড় ব্যবসায়ীর কাছে পুলিশ পরিচয় দেন ও মারধর করেন। এ ঘটনায় ভুক্তভোগী বর্তমানে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসাধীন। তিনি এখনো অভিযোগ করেনি। তবে আটককৃতদের বিরুদ্ধে আইগত ব্যবস্থা নেয়া হবে।