নিহত হৃদয় খান নিবিড় উপজেলার ডোমসার ইউনিয়নের ৬ নম্বর ওয়ার্ডের খিলগাঁও এলাকার মনির খান ও নিপা আক্তার দম্পত্তির ছেলে। সে স্থানীয় শিশু কানন কিন্ডারগার্টেনের পঞ্চম শ্রেণির শিক্ষার্থী ছিল। এ ঘটনায় জিজ্ঞাসাবাদের জন্য চারজনকে আটক করেছে পুলিশ।
মঙ্গলবার সকাল ৬টার দিকে নিবিড়ের মাটিচাপা দেওয়া মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। এর আগে সোমবার (৩১ জুলাই) বিকেলে এ অপহরণের ঘটনা ঘটে।
.png)
জানা যায়, প্রতিদিনের মতো সোমবার বিকেলে স্কুল থেকে ফিরে খেলাধুলার জন্য বাড়ি থেকে বের হয় নিবিড়। এরপর তাকে আর খুঁজে পায়নি পরিবার। সন্ধ্যার দিকে নিবিড়ের মা নিপা আক্তারের মোবাইলফোনে কল করে অপহরণকারীরা।
এ সময় ৫০ লাখ টাকা মুক্তিপণ দাবি করলে হৃদয়ের পরিবার পুলিশকে জানায়। তথ্য প্রযুক্তির সহায়তায় অপহরণকারীদের চিহ্নিত করে পুলিশ। পরে মঙ্গলবার সকাল ৬টার দিকে বাড়ির ৫০০ মিটার দূরে পরিত্যক্ত জমিতে (এমকেবি ইটভাটার সংলগ্ন) মাটিচাপা দেওয়া মরদেহ উদ্ধার করে।
নিহত নিবিড়ের মা নিপা আক্তার ও মামা ইকবাল খান বলেন, নিবিড়কে নির্মমভাবে হত্যা করা হয়েছে। যারা নিবিড়কে হত্যা করেছে তাদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি চাই, ফাঁসি চাই।
এ ঘটনায় পালং মডেল থানার ওসি আক্তার হোসেন বলেন, মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য শরীয়তপুর সদর হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে। জিজ্ঞাসাবাদের জন্য কয়েকজনকে আটক করা হয়েছে। এ ঘটনায় মামলার প্রস্তুতি চলছে।