সোমবার দুপুরে লালমনিরহাট সদর থানার ওসি ওমর ফারুক বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। আসামিকে ১৬৪ ধারায় স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি শেষে কারাগারে পাঠিয়েছেন আদালত।
পুলিশ জানায়, গত ১৭ জুন বিকেলে ঐ কলেজছাত্রী তার প্রেমিকের সঙ্গে ঘুরতে যান লালমনিরহাট বিমানবন্দরের রানওয়ে এলাকায়। সেখানে ঘোরাঘুরির একপর্যায়ে সন্ধ্যা হলে কথিত ঐ প্রেমিক ও তার তিন সহযোগী রানওয়ের পাশের একটি ভুট্টাক্ষেতে নিয়ে সংঘবদ্ধভাবে ধর্ষণ করেন।
.png)
ধর্ষণের শিকার হওয়ার পর মুমূর্ষু অবস্থায় নিজের ফোন থেকে বড় বোনকে কল করেন ঐ কলেজছাত্রী। বিষয়টি টের পেয়ে ধর্ষকরা কলেজছাত্রীর মোবাইল নিয়ে পালিয়ে যান। পরে গুরুতর অবস্থায় তিনি এক পথচারীর ফোন থেকে পরিবারের কাছে কল করেন।
পরিবারের সদস্যরা ঘটনাস্থালে গিয়ে ঐ কলেজছাত্রীকে উদ্ধার করে হাসপাতালে ভর্তি করান। এ ঘটনায় পরদিন বড় বোন সদর থানায় একটি ধর্ষণ মামলা করেন।
পুলিশ একে একে সোয়াইব সরকার সজীব, আনছার আলী ওরফে সোহাগ ও মাসুদকে গ্রেফতর করে। সবশেষে মামলার প্রধান আসামি ফারুক হোসেনকে শনিবার (২৯ জুলাই) নারায়ণগঞ্জ থেকে গ্রেফতার করা হয়।
লালমনিরহাট সদর থানার ওসি ওমর ফারুক বলেন, কলেজছাত্রীকে সংঘবদ্ধভাবে ধর্ষণের ঘটনার মূলহোতা ফারুকসহ সব আসামিকে গ্রেফতার করা হয়েছে। কয়েকদিনের মধ্যেই আমরা এ মামলায় চার্জশিট আদালতে দাখিল করবো।