শুক্রবার সকালে চট্টগ্রাম শিক্ষাবোর্ড মিলনায়তনে এ ফলাফল ঘোষণা করেন বোর্ডের পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক নারায়ণ চন্দ্র নাথ।
তিনি জানান, এবারের পরীক্ষায় চট্টগ্রাম শিক্ষাবোর্ডের অধীনে ২১৬টি কেন্দ্রে এক হাজার ১০৭টি প্রতিষ্ঠানের এক লাখ ৫৪ হাজার ৭৬৯ জন শিক্ষার্থী অংশ নেন। পাস করেছেন এক লাখ ২০ হাজার ৮৬ জন। এর মধ্যে ৬৮ হাজার ৩১৬ জন ছাত্র ও ৮৬ হাজার ৫০৩ জন ছাত্রী। ছাত্রের পাসের হার ৭৭ দশমিক ৭৫ শতাংশ ও ছাত্রী পাসের হার ৭৮ দশমিক ৭২ শতাংশ। জিপিএ-৫ পাওয়া ১১ হাজার ৪৫০ জনের মধ্যে পাঁচ হাজার চারজন ছাত্র ও ছয় হাজার ৪৪৬ জন ছাত্রী।
.png)
বিভাগভিত্তিক ফলাফলে এগিয়ে আছেন বিজ্ঞান বিভাগের শিক্ষার্থীরা। এ বিভাগে পাসের হার ৯৩ দশমিক ৮৪ শতাংশ। মানবিকে পাসের হার ৬৫ দশমিক ৪১ শতাংশ ও ব্যবসায় শিক্ষা বিভাগে পাসের হার ৮২ দশমিক শূন্য ছয় শতাংশ।
তিন বিভাগেই বেড়েছে পরীক্ষার্থীর সংখ্যা। এবার বিজ্ঞান বিভাগ থেকে ৩৪ হাজার ৩২ জন, মানবিক থেকে ৫৯ হাজার ৫৩৩ জন ও ব্যবসায় শিক্ষা থেকে ৬১ হাজার ২০৪ জন পরীক্ষায় অংশ নেন। গত বছর বিজ্ঞান বিভাগ থেকে ৩০ হাজার ৩৭১ জন, মানবিক থেকে ৫৯ হাজার ১৩৭ জন ও ব্যবসায় শিক্ষা থেকে ৬০ হাজার ২০৪ জন পরীক্ষায় অংশ নিয়েছিলেন।
এবার নগরসহ চট্টগ্রাম জেলায় পরীক্ষার্থীর সংখ্যা ছিল এক লাখ ছয় হাজার ৮৮৫ জন। এছাড়া কক্সবাজার জেলা থেকে ২৪ হাজার ৩৩০ জন, রাঙামাটি থেকে আট হাজার ৭৪২ জন, খাগড়াছড়ি থেকে নয় হাজার ৮৬৬ জন এবং বান্দরবান থেকে চার হাজার ৯৪৫ জন পরীক্ষায় অংশ নেন।
জেলাভিত্তিক ফলাফলে দেখা গেছে, চট্টগ্রাম মহানগরে পাসের হার ৮৫ দশমিক ৪৩ শতাংশ, যা গত বছরের তুলনায় আট দশমিক ৭৮ শতাংশ কম। মহানগর ছাড়া চট্টগ্রাম জেলায় পাশের ৭৮ দশমিক ১০ শতাংশ। মহানগরসহ চট্টগ্রাম জেলায় পাসের হার ৮০ দশমিক ৬৫ শতাংশ।
এছাড়া কক্সবাজার জেলায় পাসের হার ৭৭ দশমিক ২৫ শতাংশ, রাঙামাটিতে পাসের হার ৬৭ দশমিক ৯২ শতাংশ, খাগড়াছড়িতে পাসের হার ৬৮ দশমিক ৩৭ শতাংশ এবং বান্দরবানে পাসের হার ৭০ দশমিক ৩০ শতাংশ।
বোর্ডের পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক নারায়ন চন্দ্র নাথ বলেন, এ বছর সব বিষয়ে এবং পূর্ণ সময়ে পরীক্ষা হয়েছে। তাই পাসের হার ও জিপিএ-৫ কমেছে। সামগ্রিক চিন্তা করলে আমাদের শিক্ষার্থীরা ভালো করেছে।