জেলা প্রশাসনের তদন্ত কমিটির প্রধান অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট মামুন শিবলী জানান, কমিটি তদন্ত শুরু করেছে। ঘটনাস্থল পরিদর্শন করা হয়েছে। হাসপাতালে চিকিৎসাধীন আহত বাসযাত্রীদের সঙ্গেও কথা হয়েছে। গাড়ির ফিটনেসসহ কাগজ সঠিক ছিল কিনা বা কী কারণে দুর্ঘটনা ঘটেছে, তা তদন্ত সম্পন্ন না হলে বলা যাচ্ছে না। এছাড়া আহত ৩৫ জনের মধ্যে ৩৩ জন চিকিৎসা নিয়ে সুস্থ হয়ে বাড়ি ফিরেছেন।
এছাড়া আহত বাকি দুইজন- মো. জলিল ও তার স্ত্রী মিনারা বেগম ঝালকাঠি সদর হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন। তবে তাদের অবস্থা শঙ্কা মুক্ত বলে জানিয়েছেন চিকিৎসকরা।
.png)
রোববার দুপুর ৩টা পর্যন্ত কোনো মামলা হয়নি বলে জানিয়েছেন পুলিশ সুপার মোহাম্মদ আফরুজুল হক টুটুল। তিনি জানান, জেলা পুলিশের পক্ষ থেকে বাস দুর্ঘটনায় নিহতদের স্বজনদের সঙ্গে এবং আহতদের সঙ্গে একাধিকবার কথা বলা হয়েছে। তারা কেউই মামলা করতে আগ্রহী না হওয়া কোনো মামলা রুজু হয়নি। আরো কিছু সময় অপেক্ষা করা হবে। এর মধ্যে কেউ মামলা করতে আগ্রহী না হলে পুলিশ বাদী হয়ে মামলা দায়ের করবে।
ঝালকাঠির ছত্রকান্দা এলাকায় একটি যাত্রীবাহী বাস পুকুরে পড়ে যায়। এতে ১৭ জন নিহত এবং ৩৫ জন আহত হন। শনিবার সকালে ধানসিঁড়ি ইউনিয়ন পরিষদের সামনে এ দুর্ঘটনা ঘটে।