ঢাকা,  মঙ্গলবার   ০৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২৩ ভাদ্র ১৪৩৩

Advertisement
[ দেশজুড়ে ]

রাজবাড়ীতে গত চব্বিশ ঘণ্টায় ডেঙ্গু জ্বরে আক্রান্ত ১২ জন

রাজবাড়ী প্রতিনিধি
প্রকাশিত: ২১:১৪, ১৬ জুলাই ২০২৩
রাজবাড়ীতে গত চব্বিশ ঘণ্টায় ডেঙ্গু জ্বরে আক্রান্ত ১২ জন
ছবি: ডেইলি বাংলাদেশ

রাজবাড়ীতে গত চব্বিশ ঘণ্টায় ডেঙ্গু জ্বরে আক্রান্ত হয়ে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন ১২ জন। তবে এখন পর্যন্ত ডেঙ্গু রোগীর জন্য আলাদা কোনো ওয়ার্ড তৈরি হয়নি। চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে অন্যান্য সাধারণ রোগীদের সঙ্গে।

জানা যায়, গত চব্বিশ ঘণ্টায় ডেঙ্গুজ্বরে আক্রান্ত হয়ে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছে ১২ জন। এর মধ্যে রাজবাড়ী সদর হাপাতালে ১০ জন। বাকী দুইজন পাংশা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে। চলতি মাসের ১১ জুলাই থেকে ১৬ জুলাই পর্যন্ত ৫ দিনে জেলায় ডেঙ্গুজ্বরে আক্রান্ত হয়েছেন ৩৪ জন। রাজবাড়ীর বিভিন্ন হাসপাতালে এখন ডেঙ্গু রোগী ভর্তি রয়েছেন ২৩ জন। এদের মধ্যে রাজবাড়ী সদর হাসপাতালে ১৪ জন। 

পাংশা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ৪ জন, বালিয়াকান্দি উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ৩ জন ও গোয়ালন্দ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে আছেন ২ জন। ২০২২ সালের জানুয়ারি মাস থেকে এখন পর্যন্ত জেলায় মোট ডেঙ্গুজ্বরে আক্রান্ত রোগীর সংখ্যা ২৮৮ জন।

Advertisement

রোববার সকালে রাজবাড়ী সদর হাসপাতালের মেডিসিন ওয়ার্ডে গিয়ে দেখা যায়, ডেঙ্গুজ্বরে আক্রান্ত রোগীদের চিকিৎসা সেবা দেওয়া হচ্ছে সাধারণ বেডে অন্যান্য রোগীদের সঙ্গে। ডেঙ্গুজ্বরে আক্রান্ত রোগীরা কেউ কেউ বেড ছেড়ে বাইরে ঘোরাঘুরি করছেন। যারা বেডে আছেন তাদের বেশির ভাগ রোগীই মশারি ছাড়া।

রাজবাড়ী শহরের বিনোদপুর গ্রামের বাসিন্দা আসিফ মোল্লা ডেঙ্গু জ্বরে আক্রান্ত হয়ে মেডিসিন ওয়ার্ডে চিকিৎসা নিচ্ছেন। তবে তার বেডে মশারি   টাঙানো ছিলো না। মশারি না টাঙানোর কারণ জানতে চাইলে তার মামা রবিউল বলেন, মশারি টাঙানো হয়েছিলো। এখানে অনেক গরম। মশারির ভেতরে বাতাস ঢোকে না। তাই এখন খুলে রেখেছি।

রাজবাড়ী আব্দুল্লাহ নার্সিং ইনস্টিটিউটের দ্বিতীয় বর্ষের শিক্ষার্থী লিটা আক্তার ডেঙ্গুজ্বরে আক্রান্ত হয়ে শনিবার মেডিসিন (মহিলা) ওয়ার্ডে ভর্তি হয়েছেন। 

তার মা আসমা আক্তার বলেন, ঈদের পর ডেঙ্গুতে আক্রান্ত হয়ে ফরিদপুর মেডিকেল হাসপাতালে ভর্তি ছিলাম। আমার মেয়ে লিটা আমার দেখভাল করার জন্য আমার সঙ্গে ছিল। সেখান থেকেই লিটা আক্রান্ত হয়েছে। ৬ দিন ফরিদপুরে চিকিৎসা নিয়ে গতকাল এখানে এসেছি।  

আরেক রোগী মামুন শেখ বলেন, রাজবাড়ীতে কাপড়ের দোকানে কাজ করি। আমাদের দোকানের সবাই ডেঙ্গুতে আক্রান্ত হয়েছি। বাকিরা বাড়িতে চিকিৎসা নিচ্ছেন।

রাজবাড়ী সদর হাসপাতালের তত্ত্বাবধায়ক ডা. শেখ মোহাম্মদ আব্দুল হান্নান বলেন, ডেঙ্গু কোনো ছোঁয়াচে রোগ না। একই ওয়ার্ডে থাকলে বা পাশাপাশি থাকলেও রোগ ছড়াবে না। এটা মশার মাধ্যমে ছড়ায়। মশারি টাঙানো থাকলে অন্য রোগীদের কোনো সমস্যা হবে না।

ডেইলি-বাংলাদেশ/এমকে
ট্যাগ: রাজবাড়ী
লিংক সফলভাবে কপি হয়েছে!