শুক্রবার প্রেমিক আশিকুজ্জামানের উপজেলার ফতেপুর ইউনিয়নে অন্য এক মেয়ের সঙ্গে বিয়ে হওয়ার কথা ছিল। এর আগে, বৃহস্পতিবার প্রেমিকের অন্যত্র বিয়ের খবর শুনে ভুক্তভোগী তরুণী অনশন শুরু করেন। আশিকুজ্জামান আশিক উপজেলার নায়েকপুর ইউনিয়নের বাঁশরী মাঝপাড়া গ্রামের বাসিন্দা।
এলাকাবাসী সূত্রে জানা গেছে, আশিকুজ্জামানের সঙ্গে ঐ তরুণীর দীর্ঘদিন ধরে প্রেমের সম্পর্ক চলে আসছিল। বিষয়টি জানাজানি হওয়ার পর উভয় পরিবার তাদের বিয়ে দিতে সম্মত হয়। তবে তরুণীর বিবাহযোগ্য বড় বোনের বিয়ের পর পারিবারিকভাবে তাদের বিয়ে দেওয়ার সিদ্ধান্ত হয়। ভুক্তভোগী তরুণীর বড় বোনের বিয়ে হলেও এর মাঝে দুই বছর কেটে যায়। তবে আশিকুজ্জামানের পরিবারের পক্ষ থেকে বিয়ের কোনো উদ্যোগ নেয়া হয়নি। বরং আশিকুজ্জামানকে অন্যত্র বিয়ের দেওয়ার চেষ্টা করে।
.png)
এরইমধ্যে আশিকুজ্জামানের পরিবার উপজেলার ফতেপুর ইউনিয়নের তার বিয়ে ঠিক করেন। শুক্রবার তার বিয়ের কথা ছিল। খবর শুনে বৃহস্পতিবার ভুক্তভোগী তরুণী বিয়ের দাবিতে আশিকের বাড়িতে অবস্থান নেন। ঐ তরুণী অবস্থান নেয়ায় আশিকের বিয়েও পণ্ড হয়ে যায়।
অনশন শুরু করা তরুণী বলেন, তিন বছর আগে আশিকের সঙ্গে আমার প্রেমের সম্পর্ক গড়ে ওঠে। পরে উভয় পরিবার বিষয়টি মেনে নিয়ে বিয়ে ঠিক করে। এরপর থেকেই আশিক আমাকে বিভিন্ন জায়গায় নিয়ে একাধিকবার শারীরিক সম্পর্ক করেন।
আশিকের পরিবার অন্য জায়গায় বিয়ে ঠিক করেছে শুনে আমি তাদের বাড়িতে এসে উঠেছি। আশিক আমাকে বাড়িতে দেখে পালিয়ে গেছেন। তার মা আমাকে ঘর থেকে জোরপূর্বক বের করে দিয়ে দরজায় তালা দিয়ে চলে গেছেন। আশিক আমাকে বিয়ে না করলে যেকোনো সময় আত্মহত্যা করব।
মদন থানা ওসি মোহাম্মদ তাওহীদুর রহমান জানান, খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে পুলিশ গিয়েছিল। এ বিষয়ে লিখিত অভিযোগ পেলে তদন্ত সাপেক্ষে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।