রোববার (৯ জুলাই) সকালে বিভাগীয় স্বাস্থ্য পরিচালকের কার্যালয়ের তথ্যানুযায়ী, দ্বিতীয় সর্বোচ্চ পটুয়াখালী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি হয়েছে ২৩ জন। এছাড়া বাকি রোগীরা পিরোজপুর, বরগুনা ও ভোলার বিভিন্ন সরকারি হাসপাতালে ভর্তি হয়েছে।
এদিকে রোগীর চাঁপ সামলাতে করোনা ইউনিটের মত আলাদা ডেঙ্গু রোগীদের জন্য দুটি ইউনিট চালু করেছে শেবাচিম হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ।
.png)
হাসপাতালের নতুন ভবনের নিচে (করোনা ভবন) পুরুষ ও নারী ডেঙ্গু রোগীদের জন্য আলাদা দুটি ইউনিট চালু করা হয়েছে। এর মধ্যে ওই ইউনিটে রোগী ভর্তি কার্যক্রম শুরু হয়েছে।
শেবাচিম হাসপাতালের পরিচালক ডা. এইচএম সাইফুল ইসলাম বলেন, হাসপাতালের সকল ইউনিটের প্রধান, সহকারী রেজিষ্ট্রার ও নার্স ইনচার্জদের তাদের স্ব-স্ব ইউনিটে ভর্তিকৃত ডেঙ্গু রোগীদের নবসৃষ্ট ডেঙ্গু কর্ণারে স্থানান্তরের নির্দেশ প্রদান করা হয়েছে।
তিনি আরো বলেন, ডেঙ্গু কর্ণারে নারী ও পুরুষ মিলিয়ে মোট ৮০ জন রোগী চিকিৎসা গ্রহণ করতে পারবেন। রোগীদের জন্য মশারী ও পরীক্ষাসহ সবধরণের ব্যবস্থা করা হয়েছে। ডেঙ্গু আক্রান্ত রোগীদের চিকিৎসায় ডাক্তার ও নার্সদের কোনো সংকট নেই।
বিভাগীয় স্বাস্থ্য পরিচালকের কার্যালয়ের পরিসংখ্যানে জানা গেছে, চলতি মৌসুমে বরিশাল বিভাগে রোববার সকাল পর্যন্ত ৮৯৮ জন রোগী ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়েছেন। এর মধ্যে ৭৩১ জন চিকিৎসায় সুস্থ্য হয়ে ছাড়পত্র নিয়ে চলে গেছে। পাশাপাশি চিকিৎসাধীন রয়েছেন ১৯১ জন এবং মৃত্যু হয়েছে একজনের।