শনিবার (৮ জুলাই) পুলিশের হাতে আসা ডিএনএ রিপোর্টে এসব তথ্য উঠে এসেছে।
মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা কক্সবাজার সদর থানার এসআই দুর্জন বিশ্বাস জানিয়েছেন, মরদেহ উদ্ধারের পরপরই ছয়জনের মরদেহ শনাক্ত হয়েছিল। বাকি চারজনের মরদেহ স্বজনরা শনাক্ত করলেও সন্দেহ থাকায় ডিএনএর জন্য তাদের নমুনা সংগ্রহ করা হয়। কিন্তু তাদের সঙ্গে ডিএনএ মেলেনি। ঐ সময় আরো কয়েকজনের ডিএনএ স্যাম্পল নেয়া হয়েছিল। তাদের মধ্যে তিনজনের পরিচয় শনাক্ত করা গেছে। যাদের বাড়ি মহেশখালীতে। কিন্তু তাৎক্ষণিক ঐ তিনজনের নাম ঠিকানা জানা যায়নি।
.png)
যাদের স্বজনের সঙ্গে ডিএনএ মেলেনি তারা হলেন- মহেশখালী উপজেলার শাপলাপুর ইউনিয়নের মিটাছড়ি গ্রামের দেলোয়ার হোসেনের ছেলে সাইফুল ইসলাম, সাহাব মিয়ার ছেলে সাইফুল্লাহ, মোহাম্মদ আলীর ছেলে পারভেজ মোশাররফ এবং চকরিয়া উপজেলার কোনাখালী ইউনিয়নের কবির হোসাইনের ছেলে সাইফুল ইসলাম।
উল্লেখ্য, গত ২৩ এপ্রিল সাগরে ভাসমান একটি ট্রলার নাজিরারটেক উপকূলে নিয়ে আসা হয়। ঐ ট্রলার থেকে হাত-পা বাঁধা অবস্থায় ১০ জনের লাশ উদ্ধার করা হয়। এর মধ্যে ছয়জনের মরদেহ শনাক্ত করে স্বজনদের কাছে হস্তান্তর করা হয়। বাকি চারজনের মরদেহ ডিএনএ পরীক্ষার জন্য মর্গে রাখা হয়।