ফায়ার সার্ভিস ও স্থানীয়রা জানায়, রাতে বাজারের আজিজুল হকের পাইকারি মনিহারি দোকানে আগুন দেখতে পেয়ে ফায়ার সার্ভিসকে খবর দেওয়া হয়। আগুন তাৎক্ষণিক আশপাশের দোকানে ছড়িয়ে পড়ে। খবর পেয়ে প্রথমে জলঢাকা ফায়ার সার্ভিসের সদস্যরা আগুন নিয়ন্ত্রণে কাজ শুরু করলেও পরে ডোমার, ডিমলা, কিশোরগঞ্জ ও নীলফামারীর ফায়ার সার্ভিসের সদস্যরা যোগ দেয়। আগুনে গোডাউনসহ তিনটি পাইকারি মনিহারি দোকান ও একটি হোটেলের মালামাল পুড়ে গেছে।
তবে আগুনে ক্ষতিগ্রস্ত দোকানদারদের দাবি অগ্নিকাণ্ডে চারটি দোকান পুড়ে প্রায় ৩ কোটি টাকার ক্ষতি হয়েছে।
.png)
ক্ষতিগ্রস্ত ব্যবসায়ী আব্দুর রউফ ডেইলি বাংলাদেশকে বলেন, আমার দোকান ও গোডাউনের সব মালামাল পুড়ে গেছে। আমার প্রায় এক কোটি টাকার মতো ক্ষতি হয়েছে। আমার সব শেষ হয়ে গেল।
আরেক ব্যবসায়ী আজিজুল হক ডেইলি বাংলাদেশকে বলেন, সবাই বলতেছে আমার দোকানের মিটারের প্রথমে আগুন লেগেছে। যেহেতু আমি ঘটনাস্থলে ছিলাম না সঠিক বলতে পারছি না। আমাদের এখানে মনিহারির যে কয়েকটা পাইকারি দোকান সব পুড়ে গেছে। সবার অনেক বড় ক্ষতি হয়ে গেল।
জলঢাকা ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্সের স্টেশন অফিসার রিফাত আল মামুন ডেইলি বাংলাদেশকে বলেন, খবর পাওয়ার সঙ্গে সঙ্গে আমরা কাজ শুরু করি। প্রথমে আমাদের ইউনিট কাজ শুরু করলেও পর্যায়ক্রমে ডোমার, ডিমলা, কিশোরগঞ্জ ও নীলফামারীর ফায়ার সার্ভিসের সদস্যরা আগুন নেভানোর কাজ করেন। প্রায় দেড় ঘণ্টার চেষ্টা আগুন নিয়ন্ত্রণে আনা সম্ভব হয়েছে। শর্ট সার্কিট থেকে আগুনের সূত্রপাত হয়েছে বলে ধারণা করা হচ্ছে। ক্ষয়ক্ষতি কি পরিমাণ হয়েছে তা এই মুহূর্তে বলা সম্ভব হচ্ছে না।