শুধু হোসেনপুর উপজেলাই নয় কিশোরগঞ্জ সদর, পাকুন্দিয়া, গফরগাঁও, নান্দাইল থেকেও মানুষ আসেন এ সেতুতে ঘুরতে।
সরেজমিনে দেখা যায়, প্রায় এক কিলোমিটার দৈর্ঘ্য বিশিষ্ট পুরো সেতুটিই দর্শনার্থীদের পদচারণায় মুখরিত। তবে এবারের ঈদে বৃষ্টির জন্য পর্যটক সংখ্যা কিছুটা কম ছিল। কেউ এসেছেন পরিবার পরিজন নিয়ে, আবার কেউ এসেছেন বন্ধুবান্ধব নিয়ে। এ সেতু থেকে দাড়িয়ে ব্রহ্মপুত্রের বিশাল জলরাশি আর চরের মনোমুগ্ধকর দৃশ্য দেখার পাশাপাশি নৌকাতে ঘুরেও আনন্দ উপভোগ করেন দর্শনার্থীরা।
.png)
ঈদের চতুর্থ দিন এ সেতুতে ঘুরতে আসা চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী আনোয়ার হোসেন অপু বলেন, ব্রহ্মপুত্রের উপর এ সেতুটি থেকে নদী, সুন্দর প্রাকৃতিক পরিবেশ ও মনোরম বাতাস উপভোগ করা যায়। এছাড়া হোসেনপুরে অন্য কোনো পর্যটককেন্দ্রও নেই।
পাকুন্দিয়া থেকে ঘুরতে আসা সোহান বলেন, বন্ধুরা মিলে ঘুরতে এসেছি। আড্ডা দেওয়া হলো, সেইসঙ্গে প্রাকৃতিক দৃশ্যও দেখা হলো।
শুধু ঈদ নয় শুক্রবারসহ ছুটির দিনগুলোতেও এখানে ঘুরতে আসেন মানুষ। এদিকে, এ সেতুর কিছুটা পাশেই পর্যটকদের খাবারের জন্য গড়ে উঠেছে চরবিলাশ ক্যাফে এবং সন্ধ্যাতারা ফুড পার্ক নামে দুইটি রেস্টুরেন্ট।