জানা গেছে, বিক্রির জন্য ‘কালাবাবু’র দাম ১২ লাখ টাকা চেয়েছিলেন রাশেদুল। বিপরীতে সর্বোচ্চ সাড়ে সাত লাখ টাকা পর্যন্ত বলেন ক্রেতারা। তখন কেউ আট লাখ টাকা বললে বিক্রি করে দিতেন রাশেদুল। কিন্তু কাঙ্খিত দাম না পাওয়ায় শেষ পর্যন্ত বিক্রি হয়নি ‘কালাবাবু’।
সম্প্রতি একটি সামাজিক অনুষ্ঠানের জন্য গরুটি কিনতে রাশেদুলের ফোন নম্বর সংগ্রহ করেছেন কয়েকজন। তাদের সঙ্গে আলাপ-আলোচনা চলছে। দরদামে মিললে গরুটি তাদের কাছেই বিক্রি করে দেবেন বলে জানিয়েছেন রাশেদুল।
.png)
তিনি জানান, এবার বড় গরুর তুলনায় ছোট ও মাঝারি আকারের গরুর দাম ছিল বেশি। বড় গরুর ক্রেতা তেমন ছিল না। তাই অনেক কম দাম চাওয়া সত্ত্বেও তার গরুটি বিক্রি হয়নি। তবে শুধু তার গরু নয়; সীতাকুণ্ডের অনেক খামারির কাছেই বড় গরু ছিল, তাদের গরুগুলোও বিক্রি হয়নি বলে জানান রাশেদুল।
রাশেদুল আরো জানান, বড় গরুর ক্রেতা কম দেখে ‘কালাবাবু’কে দুদিনের বেশি হাটে তোলেননি তিনি। তবে গরু রয়ে গেছে- এ নিয়েও কোনো দুঃখ নেই তার। কারণ গরু বেচাকেনা তার মূল ব্যবসা নয়। শখ করেই গরুটিকে বড় করেছেন তিনি।