আহতরা জানান, পশু কোরবানি দিতে গিয়ে দুর্ঘটনাবশত আহত হন তারা। কেউ পশু জবাই করার সময় ষাঁড়ের গুঁতোয় আহত হয়েছেন। আবার কেউ মাংস কাটতে গিয়ে ধারালো ছুরি কিংবা দায়ের আঘাত পেয়েছেন।
জানা যায়, ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের জরুরি বিভাগের ক্যাজুয়ালটি ইউনিটে বৃহস্পতিবার সকাল থেকে সন্ধ্যা পর্যন্ত ৭২ জন ভর্তি হয়েছেন। এর মধ্যে ৪০ জনই কোরবানি দিতে গিয়ে আহত হয়েছেন।
.png)
আহত সেলিম আহমদ জানান, সকালে তিনিসহ আরো কয়েকজন মিলে গ্রামে গরু কোরবানির প্রস্তুতি নিচ্ছিলেন। তিনিসহ চারজন গরুটি ধরে রেখেছিলেন। হঠাৎ গরুটি লাফিয়ে উঠে। তখন অন্যরা গরুর রশি ছেড়ে দেন। এ সময় পাশে থাকা আরেক ব্যক্তির ধারালো দা তার হাতে লেগে কেটে গেছে। প্রচুর রক্তক্ষরণ হয়েছে। পরে তাকে হাসপাতালে আনা হয়েছে।
আলা উদ্দিন জানান, গরু কোরবানির পর মাংস কাটছিলেন তিনি। ওই সময় হঠাৎ দায়ের আঘাত লাগে তার বাম হাতে। এতে বেশ রক্তক্ষরণ হয়েছে।
আহত রাসেল আহমদের ভাই জুবের আহমদ বলেন, কোরবানির মাংস কাটতে গিয়ে এমনটি হয়েছে। প্রথমে তাকে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেয়া হয়। পরে এম এ জি ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়।
সুনামগঞ্জের আকিব আলী জানান, কোরবানির সময় নিজ হাতে থাকা ছুরি পায়ে লেগেছে। এতে বাম পায়ের বেশকিছু অংশ কেটে গেছে। পরে তিনি হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন।
জরুরি ও ক্যাজুয়ালটি বিভাগের চিকিৎসক নিরুপম দত্ত জানান, আহত ব্যক্তিদের করোরই অবস্থা গুরুতর নয়। তবে কয়েকজনের হাড়ে আঘাত পাওয়ায় এক্স-রে করতে বলা হয়েছে। চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে।