ফেনী পৌরসভার ১০ নম্বর ওয়ার্ডের ডাক্তার পাড়া, পশ্চিম ডাক্তার পাড়া, পাঠান বাড়ি রোড শহরের সবচেয়ে বেশি পশু কোরবানি করা হয়। তবে এসব এলাকায় নির্দিষ্ট সময়ের আগেই কাজ শেষ করতে দেখা যায় পরিচ্ছন্নতাকর্মীদের। এছাড়া ১৮ নম্বর ওয়ার্ডে রামপুর পাটোয়ারী বাড়ি সড়ক, চৌধুরী বাড়ি সড়ক, সওদাগর বাড়ি সড়ক, মির্জা বাড়ি সড়কও বৃষ্টিতে ভিজে কাজ করেন পরিচ্ছন্নতাকর্মীরা।
ফেনী পৌরসভার মেডিকেল অফিসার কৃষ্ণপদ সাহা জানান, ফেনী পৌরসভার ১৮টি ওয়ার্ডে পশু কোরবানির জন্য ৮১টি স্থান নির্ধারণ করা হয়েছিল। নির্ধারিত স্থানেই পশু কোরবানি করা হয়েছে। এছাড়া বিভিন্ন পাড়া-মহল্লার বাসা-বাড়ির সামনে রাস্তায় পশু কোরবানি হয়েছে। কোরবানির বর্জ্য সংগ্রহ করতে পরিচ্ছন্নতাকর্মীরা ট্রলি, রিক্সা-ভ্যান ও ময়লা বহনকারী ট্রাকে করে নির্দিষ্ট ডাস্টবিন ও স্থানে ডাম্পিং করেন। পরে বর্জ্যগুলো ট্রাকে করে দেওয়ানগঞ্জে ডাম্পিং করা হয়। পাশাপাশি যেসব স্থানে কোরবানি করা হয়েছে, সেই সব স্থান পানি দিয়ে ধুয়ে পরিষ্কার পরিচ্ছন্নকরণ ও ব্লিচিং পাউডার ছিটিয়ে দূষণমুক্ত করা হয়েছে।
.png)
বর্জ্য অপসারণে বড় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছে ফেনী পৌরসভার থেকে দেওয়া ব্যাগ। কোরবানির পর বর্জ্য রেখে দেওয়ায় সহজে পরিষ্কার করা দ্রুত সম্ভব হয়েছে বলে জানান পরিচ্ছন্নতাকর্মী রুহুল আমিন।
১০ নম্বর ওয়ার্ডের সুপারভাইজার নুর করিম জানান, মেয়র স্যারের দেওয়া নির্দিষ্ট সময়ের আগেই আমরা পুরো শহরকে পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন করার কাজ করছি।
ফেনী পৌরসভার মেয়র নজরুল ইসলাম স্বপন মিয়া বলেন, আমার প্রতিশ্রুতি ছিল ৬ ঘণ্টার মধ্যে কোরবানির বর্জ্য অপসারণ করা। পৌরবাসীর সহযোগিতায় ৬ ঘণ্টা আগে সেই প্রতিশ্রুতি আমি পূরণ করেছি। প্রতিশ্রুতি পূরণে যারা আমাকে সহযোগিতা করেছেন পরিচ্ছন্নতাকর্মীরা। তারা বৃষ্টিতে ভিজে নিরলস পরিশ্রম করে প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়ন করেছেন। সেজন্য আমি তাদের সবাইকে আন্তরিকভাবে ধন্যবাদ জানাচ্ছি।