রোববার রাজশাহী সিটি পশুর হাটে গিয়ে দেখা যায়, হাটের প্রবেশদ্বারেই বেশকয়েকটি অস্থায়ী দা, বঁটি, চাকু, ছুরি, চাপাতির অস্থায়ী দোকান বসানো হয়েছে। যেখানে বিভিন্ন সাইজের বিভিন্ন দামের পশু কোরবানির জন্য এসব যন্ত্রপাতি বিক্রি করা হচ্ছে।
ব্যবসায়ীরা বলছেন, আগামী ২৯ জুন মুসলমানদের বড় ধর্মীয় উৎসব ঈদুল আজহা। মুসলমানরা আল্লাহর সন্তুষ্টিতে পশু কোরবানি করবেন। কোরবানির পশু কাটাকুটির জন্য দা, ছুরি, বটিসহ নানা জিনিস প্রয়োজন। আর পশুহাটে ক্রেতা বেশি থাকে। তাই পশু হাটের সামনেই তারা দেশীয় এসব যন্ত্রপাতির দোকান বসিয়েছেন। ঈদের আগের দিন পর্যন্ত বেচাবিক্রি চলবে বলে জানান ব্যবসায়ীরা।
.png)
দুপুরে পশু বিক্রি করে বাসায় ফেরার পথে ছুরি দেখতে থাকেন আমিনুল ইসলাম।
তিনি জানান, সামনে ঈদ। তিনিও কোরবানি দেবেন। এবার কোরবানির জন্য তিনি ছাগল কিনেছেন। আর বাসায় কাটাকুটির জন্য কোনো চাকু নেই। তাই চাকু কিনছেন।
ব্যবসায়ী আশরাফ হোসেন জানান, ওজন ও মান ভেদে দা, বঁটি, চাকু, ছুরি, চাপাতির একেক রকম দামে বিক্রি করছেন। বেচাবিক্রি হচ্ছে মোটামুটি।
লোহার মানভেদে স্প্রিং লোহা ৫০০ টাকা, নরমাল লোহা ৩০০ টাকা, পশুর চামড়া ছাড়ানো ছুরি ৭০ থেকে আড়াই শ টাকা, দা ১৫০ থেকে সাড়ে ৩৫০ টাকা, বঁটি ২০০ থেকে ৪০০, চাপাতি ৫০০ থেকে ১১০০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে।