বৃহস্পতিবার দুপুর ১টার দিকে ভেসে যাওয়া মরদেহটি লোকজন দেখতে পেয়ে খালিয়াজুড়ি থানা পুলিশকে খবর দেয়। পরে খবর পেয়ে শাল্লা থানা পুলিশ রথীন্দ্র দাসকে সঙ্গে নিয়ে জবা রাণী দাসের মরদেহটি শনাক্ত করে।
শাল্লা থানার ওসি আমিনুল ইসলাম বলেন, ছায়ার হাওরের খালিয়াজুড়ি সীমানা থেকে জবা রাণীর মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। ছেলে বিজয় দাসের সন্ধান এখনও পাওয়া যায়নি।
.png)
প্রসঙ্গত, গত ১৯ জুন সন্ধ্যা সাড়ে ৭টার দিকে শাল্লা ব্রিজ সংলগ্ন বাহাড়া শাসখাই রাস্তা থেকে ব্রিজে ওঠার সময় স্রোতের টানে দাঁড়াইন নদীতে ডুবে যায় মা দুর্লভ রানী ও তার দুই শিশু সন্তান জবা রাণী দাস ও বিজয় দাস। গত ২০ জুন রথীন্দ্র দাসের স্ত্রী দুর্লভ রানী দাস ও ২২ জুন তার মেয়ের মরদেহ উদ্ধার করে ফায়ার সার্ভিসের ডুবুরি দল।