মঙ্গলবার রাতে উপজেলার মুছাপুর ইউপির ৭ নম্বর ওয়ার্ডের মৌলভীবাজার থেকে তাদের গ্রেফতার করে থানায় নিয়ে যায় পুলিশ।
গ্রেফতারকৃতরা হলেন- মুছাপুর ইউনিয়নের ৭ নম্বর ওয়ার্ডের বাসিন্দা একরামুল হকের ছেলে রিয়াদ ও মুছাপুর ক্লোজারের রেগুলেটর মোড়ের আলাউদ্দিনের ছেলে জালাল উদ্দিন। এর আগে গত ১৪ জুন স্বামীর সঙ্গে ঘুরতে গিয়ে সংঘবদ্ধ ধর্ষণের শিকার হন ওই গৃহবধূ। এ ঘটনায় ১৮ জুন তিনজনকে আসামি করে মামলা করেছেন ভুক্তভোগীর স্বামী।
.png)
জানা যায়, ১৪ জুন নোয়াখালীর সুধারাম থানা এলাকা থেকে মোটরসাইকেলে মুছাপুরের রেগুলেটর এলাকায় ঘুরতে যান ওই নবদম্পতি। এ সময় জাহাঙ্গীর, রিয়াদ ও জালাল ছুরি-লাঠি নিয়ে তাদের ভয়ভীতি দেখায়। এরপর বাগানের ভেতরে নিয়ে স্বামীকে গাছের সঙ্গে বেঁধে নববধূকে ধর্ষণ করেন তারা। বিষয়টি টের পেয়ে স্থানীয়রা এগিয়ে এলে পালিয়ে যান আসামিরা।
মুছাপুর ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান মো.আইয়ুব আলী বলেন, ওই দুজনকে তাদের পরিবারের সদস্যরা আটক করে। এরপর থানায় খবর দিলে তাদের গ্রেফতার করে পুলিশ।
কোম্পানীগঞ্জ থানার ওসি মো. সাদেকুর রহমান বলেন, দুই আসামিকে আটক করে পুলিশে সোপর্দ করা হয়েছে। দুজনই মামলার এজাহারভুক্ত আসামি। তাদের জিজ্ঞাসাবাদ চলছে। এ বিষয়ে পরে বিস্তারিত জানানো হবে।