জানা যায়, অন্য ফসলের চেয়ে তুলনামূলক কম খরচ, উৎপাদন ভালো, লাভজনক, স্থানীয়ভাবে সহজলভ্য ও সরাসরি পাইকারি বাজার সৃষ্টি হওয়ায় পাট চাষে ঝুঁকেছেন কৃষক। এছাড়া নিয়মিত কৃষি বিভাগ থেকে উদ্বুদ্ধকরণ, পরার্মশ প্রদান, সরকারি সহায়তার ফলে চাষিদের মধ্যে আগ্রহ বেড়েছে। সব মিলিয়ে অনুকূল পরিবেশ সৃষ্টি হওয়ায় প্রতি মৌসুমে বাড়ছে পাট চাষ।
উপজেলা কৃষি অফিস শায়খুল ইসলাম জানান, চলতি বছর ভেড়ামারায় উপজেলায় ৪৫৬০ হেক্টর জমিতে পাট চাষ করা হয়েছে। পাটের জাতের মধ্যে আছে ইন্ডিয়ান কৃষি সেবাইন ১৩৫২৪, শঙ্খ ৯৮৯৭, দেশি রবি ১ এবং তোষা ৮। পাট কাটার সময় আষাঢ় মাসের শেষ পর্যন্ত।
.png)
কৃষকরা জমি প্রস্তুত করে বা বিনা চাষে ধানের জমিতে ছিটিয়ে পাট চাষ করেছেন। চাষ করা পাট বীজ বোনার ১২০ এবং ধানের জমিতে ছিটিয়ে বোনার ১১০ দিনের মধ্যে কাটার উপযোগী হয়। উপজেলা কৃষি বিভাগ থেকে কৃষকদের এমন পরামর্শ দেওয়া হচ্ছে।
বাহাদুরপুর ইউনিয়নের রায়টা গ্রামের কৃষক শামিরুল, নিজাম উদ্দিন ও আলীমদ্দিন জানান, কর্মকর্তাদের উৎসাহ ও পরামর্শ অনুযায়ী তারা ৫ বিঘার মতো ধানের জমিতে ছিটিয়ে পাট চাষ করেছেন। আগাম ব্যবস্থা নেয়ায় প্রচণ্ড দাবদাহে পাটে তেমন রোগবালাই দেখা যায়নি। তবে বৃষ্টিহীন পাটখেতে সেচ দিতে কিছুটা সমস্যা হয়েছে। আবহাওয়া অনুকূলে থাকলে বিঘাপ্রতি ৮-১৬ মণ ফলনের সম্ভাবনা দেখছেন তারা। পাটের দাম ভালো পেলে খরচ বাদ দিয়ে বিঘাপ্রতি ২০-২৫ হাজার টাকার মতো লাভ করতে পারবেন।