বুধবার সকালে বাঘা থানা-পুলিশ স্বাস্থ্য পরীক্ষার জন্য ওই শিশু শিক্ষার্থীকে রাজশাহী মেডিকেল কলেজ (রামেক) হাসপাতালের ওসিসিতে পাঠিয়েছে।
শিশুটির বাবা ঢাকায় এবং মা সৌদি আরবে থাকেন। শিশুটি তার চাচার পরিবারে থেকেই পড়াশোনা করে।
.png)
মামলা ও পুলিশ সূত্রে জানা যায়, চতুর্থ শ্রেণির ওই শিশু শিক্ষার্থীকে (১১) তার চাচা বকাঝকা করেন। এতে রাগ করে মঙ্গলবার সকাল ১০টার দিকে পাশের আমবাগানে বসে ছিল। এ সময় বাঘা উপজেলার পদ্মার মধ্যে চকরাজাপুর ইউনিয়নের দাদুপুরের উদপুর চরের মোজাম আলীর ছেলে শিমুল হোসেন (৩৫) আম বাগানের পাশ দিয়ে যাচ্ছিলেন। তার মন খারাপ দেখে তার কাছে যান। পরে বাড়িতে পৌঁছে দেওয়ার নাম করে কৌশলে পাশের পাটক্ষেতে নিয়ে ধর্ষণ করেন।
শিশু শিক্ষার্থীর চাচা বলেন, মেয়েকে আমার কাছে রেখে ভাই ঢাকায় রিকশা চালান আর ভাবি সৌদি আরবে থাকেন। মেয়ে লেখাপড়া না করায় একটু বকা দিয়েছিলাম। আমার অজান্তেই সে রাগ করে পাশের এক আমবাগানে গিয়ে বসে ছিল। এ সময় ওই শিমুলের কু-নজর পড়ে।
বাঘা থানার ওসি খায়রুল ইসলাম জানান, এ বিষয়ে মামলা হয়েছে। শিশুটির স্বাস্থ্য পরীক্ষার জন্য রামেক হাসপাতালের ওসিসিতে পাঠানো হয়েছে। আসামিকে গ্রেফতারের চেষ্টা চলছে।