সোমবার দুপুরে জেলা ও দায়রা জজ আদালতের বিচারক নিলুফার সুলতানা এ রায় ঘোষণা করেন। দণ্ডপ্রাপ্তরা হলেন- বেগমগঞ্জ উপজেলার চৌমুহনী পৌরসভার হাজীপুর এলাকার আহাম্মদ উল্যার ছেলে মো. সোহরাব হোসেন (২৬), একই এলাকার আবুল কাশেমের ছেলে নওয়াজ শরীফ (২৬) এবং ইসমাইল লেবারের ছেলে মো. রিয়াজ (২৭)।
জানা যায়, ২০২০ সালের ১৩ মে সন্ধ্যা ৬টার চৌমুহনী বাজারের লাইফ কেয়ার হাসপাতালের ল্যাব টেকনিশিয়ান দৌলতউজ্জামানকে আসামিরা চৌমুহনী পৌরসভার ৯ নম্বর ওয়ার্ডের হাজীপুর এলাকার মাওলানা কাসেমের বাড়ির সামনে ডেকে নেন। এরপর তার মাথায় এবং কানে এলোপাথাড়ি কুপিয়ে জখম করে ফেলে রেখে চলে যায়। স্থানীয়রা দৌলতউজ্জামানকে উদ্ধার করে প্রথমে বেগমগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যান। পরে তাকে উন্নত চিকিৎসার জন্য ২৫০ শয্যাবিশিষ্ট নোয়াখালী জেনারেল হাসপাতাল ভর্তি করা হয়। সেখানে ১৫ মে সন্ধ্যার দিকে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার মৃত্যু হয়।
.png)
এ ঘটনায় নিহতের বাবা আবদুর রহমান বাদী হয়ে বেগমগঞ্জ থানায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন। আদালত দীর্ঘ শুনানি শেষে সোমবার দুপুরে এ মামলার রায় ঘোষণা করেন।
রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী পাবলিক প্রসিকিউটর (পিপি) গুলজার আহমেদ জুয়েল জানান, রায় ঘোষণার সময় আসামিরা পলাতক ছিলেন। সাজাপ্রাপ্ত পলাতক আসামিদের গ্রেফতারের পর থেকে সাজা ভোগ করতে হবে। এছাড়া এ মামলায় মো. বেলাল নামে এক আসামির বিরুদ্ধে অভিযোগ সন্দেহাতীতভাবে প্রমাণিত না হওয়ায় তাকে খালাস দেওয়া হয়।