জানা যায়, গত বৃহস্পতিবার দুপুরে নিজ গ্রামে বিদ্যুতের পোলে কাজ করছিলেন পিন্টু হোসেন। এ সময় মাজার বেল্ট ছিঁড়ে পাকা রাস্তায় পড়ে গেলে তিনি গুরুতর আহত হন।
আহত অবস্থায় পিন্টুকে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়। এরপর দায়িত্বরত চিকিৎসক তাৎক্ষণিক রাজশাহী মেডিকেল কলেজ (রামেক) হাসপাতালের আইসিইউতে রেফার্ড করেন। চিকিৎসাধীন অবস্থায় শনিবার রাত সাড়ে ৩ টার দিকে তার মৃত্যু হয়।
.png)
পিন্টু বাঘা উপজেলার বাজুবাঘা ইউপির জোৎজয়রামপুর গ্রামের ফিদু প্রামাণিকের ছেলে। তিনি স্থানীয় এক ক্যাবল নেটওয়ার্ক ব্যবসায়ীর কর্মী হিসেবে কাজ করতেন। তিনি ৫ মাস আগে বিয়ে করেছিলেন।
বাজুবাঘা ইউপি চেয়ারম্যান অ্যাডভোকেট ফিরোজ আহম্মেদ রঞ্জু জানান, ছেলেটি অকালেই পৃথিবী থেকে বিদায় নিলো। তিনি ৫ মাস আগে বিয়ে করেছিলেন। ৩ দিন আইসিইউতে চিকিৎসাধীন থাকার পর মারা যায়। এতে পুরো গ্রামে শোকের আবহ তৈরি হয়েছে।