এর আগে শুক্রবার (২ জুন) বিকেল সোয়া ৪টার দিকে পদ্মা সেতুর ১৬ নম্বর পিলারের সামনের নদী থেকে সব্যসাচী সৌম্য দাশের (২৯) মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ। ঐদিন দুপুর ১২টার দিকে পদ্মা সেতুর ১৬ নম্বর পিলারে কাছে জেগে ওঠা চর থেকে নদীতে গোসল করতে নামলে ঐ দুই ছাত্র নিখোঁজ হন।
মৃত উদ্ধার হওয়া সব্যসাচী সৌম্য দাশ ঢাকার তেজগাঁও এলাকার সরোজ দাশের ছেলে এবং নুরুল হক নাফিউ ঢাকার বাড্ডা নতুন বাজার এলাকার শরিফুল হকের ছেলে। তারা ইউনাইটেড ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটির ছাত্র ছিলেন।
.png)
জানা যায়, শুক্রবার সকাল ৯টার দিকে ঢাকা থেকে পাঁচ বন্ধু মাওয়া এলাকায় ঘুরতে আসেন। পরে দুপুর ১২টার দিকে তারা একটি স্পিডবোটযোগে পদ্মাসেতুর ১৬ নম্বর পিলারের কাছে জেগে ওঠা চরে গিয়ে নদীতে গোসল করতে নামেন। এ সময় নিখোঁজ হন নাফিউ ও সব্যসাচী। তবে অন্য তিনজন অক্ষত আছেন।
মাওয়া নৌপুলিশের ইনচার্জ মাহাবুবুর রহমান জানান, শনিবার বেলা সাড়ে ১১টার দিকে লৌহজং উপজেলার তেউটিয়া ইউনিয়নের বর্ণপাড়া এলাকার পদ্মা নদী থেকে নাফিউয়ের মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। কোনো অভিযোগ না থাকায় নিহতের স্বজনদের কাছে মরদেহ হস্তান্তরের প্রক্রিয়া চলছে। অপরদিকে, শুক্রবারে উদ্ধার হওয়া সব্যসাচী সৌম্য দাশের মরদহাটি ময়নাতদন্ত শেষে তার মরদেহ স্বজনদের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে।