ঢাকা,  মঙ্গলবার   ০৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২৩ ভাদ্র ১৪৩৩

Advertisement
[ দেশজুড়ে ]

টিকটকের নামে ধর্ষণ, মৃত্যুর আগে মাকে ধর্ষকের নাম জানাল শিশু

সাভার প্রতিনিধি
প্রকাশিত: ১১:০৯, ৩ জুন ২০২৩
টিকটকের নামে ধর্ষণ, মৃত্যুর আগে মাকে ধর্ষকের নাম জানাল শিশু
প্রতীকী ছবি

১০ বছরের শিশু মারিয়া আক্তার অনন্যা। তার মা প্রবাসী। বড় বোন ও বাবার সঙ্গে থেকে একটি মাদরাসায় পড়ালেখা করত সে। এরই মধ্যে পাশের বাসার সজল টিকটকের নামে বাসার ছাদে নিয়ে ধর্ষণ করেন।  এতে অসুস্থ হয়ে পড়ে অনন্যা। মেয়ের অসুস্থতার খবরে তার মা দেশে আসলে ঘটনাটি খুলে বলে সে। পরে তার মা তাকে ঢাকা শিশু হাসপাতালে ভর্তি করেন। সেখানেই শুক্রবার রাত ৭টার দিকে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যায় শিশু অনন্যা।

এ ঘটনায় শুক্রবার রাত ১১টার দিকে সাভারের আশুলিয়ার নরসিংহপুর বাংলাবাজার এলাকার সিরাজ সরকারের বাড়ি থেকে ধর্ষণ সজলকে আটক করে র‌্যাব। 

বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন র‌্যাব-৪, সিপিসি-২ এর কোম্পানি কমান্ডার লেফটেন্যান্ট কমান্ডার রাকিব মাহমুদ খান। শিশু মারিয়া আক্তার অনন্যা রংপুর জেলার কামাল হোসেনের মেয়ে। সে আশুলিয়ার নরসিংহপুরের একটি মাদরাসার দ্বিতীয় শ্রেণিতে লেখাপড়া করত। সে তার বাবা ও বোনের সঙ্গে আশুলিয়ার নরসিংপুর বাংলাবাজার এলাকার শাজাহান সরকারের বাড়ির নিচতলায় ভাড়া থাকত।

Advertisement

ধর্ষক নওগাঁ জেলার পত্নীতলা থানার শফিকুল ইসলামের ছেলে সজল। তিনি নরসিংপুর বাংলাবাজার এলাকায় একই বাড়িতে ভাড়া থাকতেন।

শিশু অনন্যার খালাতো ভাই পিয়াস বলেন, টিকটক করার কথা বলে বাড়ির ছাদে নিয়ে তাকে ধর্ষণ করেন সজল। এতে অনন্যা প্রায় মাস খানেক ধরে অসুস্থ ছিল সে। তার মা বিদেশে থাকায় বড় বোন ও বাবার সঙ্গে থেকে একটি মাদরাসায় পড়ালেখা করত। বড় বোনের বিয়ে হওয়ায় তিনি স্বামীর সঙ্গে থাকেন। ধর্ষণের শিকার হয়ে কোনো অভিভাবক না থাকায় কারো কাছে কিছু বলতে পারেনি সে। তাই তাকে কবিরাজ দেখিয়েছে। মেয়ের অসুস্থতার কথা শুনে দেশে আসেন তার মা। 

এরপরে অসুস্থতার ব্যাপারে সে মাকে জানায়- পাশের বাসার সজল তাকে টিকটক করার জন্য বাসার ছাদে নিয়ে ধর্ষণ করেছে। এর পর থেকে সে অসুস্থ। পরে তার মা তাকে হাসপাতালে ভর্তি করে। সেখানেই শুক্রবার রাত ৭টার দিকে ঢাকা শিশু হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় সে মারা যায়। 

র‌্যাব-৪, সিপিসি-২ এর কোম্পানি কমান্ডার লেফটেন্যান্ট কমান্ডার রাকিব মাহমুদ খান জানান, অভিযোগের ভিত্তিতে অভিযুক্ত আসামিকে গ্রেফতার করা হয়েছে। শিশুটির প্রয়োজনীয় ডাক্তারি পরীক্ষার রিপোর্ট পেলে অভিযুক্ত সজলের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেয়া হবে।

ডেইলি-বাংলাদেশ/এসআরএস
লিংক সফলভাবে কপি হয়েছে!