বুধবার বিকেলে উপজেলার পুরুন্দপুর গ্রামে এ ঘটনা ঘটে।
খামারি রিমা খাতুন অভিযোগ করেন, দীর্ঘদিন ধরে প্রতিবেশী নাসির উদ্দীনের ছাদে রিমার ৪০টি বিদেশি জাতের কবুতর উড়ে গিয়ে বসায় রাগান্বিত হতেন তারা। মাঝে মধ্যে নাসির উদ্দীন ও তার স্ত্রী মাহমুদা বেগম কবুতরগুলোকে ইট-পাটকেল নিক্ষেপ করতেন এবং হিংসাত্মকভাবে রিমা খাতুনের সঙ্গে অকথ্য ভাষায় গালিগালাজসহ কবুতরগুলো মেরে ফেলার হুমকি দিতেন।
.png)
রিমা খাতুন আরও জানান, বুধবার বিকেলে কবুতরগুলো প্রতিদিনের ন্যায় নাসির উদ্দীনের ছাদে উড়ে গিয়ে বসলে নাসির উদ্দীনের স্ত্রী মাহমুদা বেগম সরিষার সঙ্গে বিষ মাখিয়ে কবুতরগুলোকে খেতে দেন। সরিষা খেয়ে কিছুক্ষণ পর ছাদেই ছটফট করে ৪০টি কবুতরের মৃত্যু হয়।
পরে খবর পেয়ে রিমা খাতুন নাসির উদ্দীনের বাড়ি গিয়ে কবুতরগুলো কেন মারলো জানতে চাইলে নাসির উদ্দীন ও তার স্ত্রী অকথ্য ভাষায় গালিগালাজ করেন এবং তাকেও মারধর করার চেষ্টা করেন। এ সময় রিমা খাতুন কান্নাজড়িত কণ্ঠে চিৎকার করলে প্রতিবেশীরা ছুটে আসেন। এ সময় নাসির উদ্দীন ও তার স্ত্রী তাদের সামনেই রিমা খাতুনকে গালিগালাজ করেন।
রিমা খাতুনের স্বামী শহিদুল ইসলাম বলেন, হিংসার বশবর্তী হয়ে অবলা কবুতরগুলোকে বিষ খাইয়ে হত্যা করেছে। তাদের সঙ্গে এমন আচরণ আমরা মানতে পারছি না। ৪০টি কবুতরের মূল্য ৫০ হাজার টাকা। দোষীদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানাচ্ছি।
এ বিষয়ে ঝিকরগাছা থানার ওসি সুমন ভক্ত জানান, অভিযোগ পেয়েছি। তদন্ত সাপেক্ষে ব্যবস্থা নেয়া হবে।