ঐ জেলে বোরহানউদ্দিন উপজেলার সাচড়া গ্রামের বাসিন্দা। তার কাছে থাকা কাঁকড়াটি দেখতে অনেকটা পানপাতা মাছের মতো। শক্ত পিঠের উপরে চোখ, নিচের অংশে মুখ ও ছোট ছোট অনেকগুলো পা এবং পিছনে রয়েছে একটি সরু লেজ।

.png)
জেলে ফারুক বলেন, প্রতিদিনের মতো গত বুধবার তজুমদ্দিনের মেঘনা নদীতে মাছ ধরতে গিয়ে জালে উঠে এই কাঁকড়াটি। পরে নৌকায় তুলে একটি পাত্রে রেখে দেই। এখনও জীবিত সেটি। এরকম কাঁকড়া আড়েগ কখনও দেখিনি। লোক মুখে শুনেছি এধরনের কাঁকড়ার মূল্য কয়েক লাখ টাকা। সেই আশায় কাঁকড়াটি নিজের কাছেই রেখে দিয়েছি। যার ওজন প্রায় ৩শ গ্রাম।
ভোলা জেলা মৎস কর্মকর্তা মোল্লা এমদাদ উল্যাহ বলেন, এটা নাল কাঁকড়া নামের একধরনের কাঁকড়া। ডাঙায় এগুলো সচারচর দেখা যায় না। বিশ্বের বিভিন্ন দেশের মানুষ এগুলো খেলেও আমাদের দেশে এগুলো কেউ খায় না। এর দাম সর্ম্পকে লোকমুখে যা শোনা যায় তা গুজব।