রোববার দুপুরে মানিকগঞ্জের নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক বেগম তানিয়া কামাল আসামির উপস্থিতে এ রায় ঘোষণা করেন। দণ্ডপ্রাপ্ত আনোয়ার বেপারী মানিকগঞ্জের হরিরামপুর উপজেলার রাজেশ্বরপুর গ্রামের বাসিন্দা।
রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী একেএম নুরুল হুদা রুবেল জানান, কবিরাজি চিকিৎসার জন্য ঐ শিশুকে নিয়ে তার মা ২০১৪ সালের ৮ ফেব্রুয়ারি সকালে মানিকগঞ্জের হরিরামপুরে রাজেশ্বরপুর গ্রামে আসেন। এরপর দুপুরে কবিরাজ আনোয়ার বেপারীর বাড়িতে চিকিৎসার জন্য নিয়ে যান। চিকিৎসার কথা বলে ঐ শিশুকে কৌশলে ধর্ষণের চেষ্টা করেন কথিত কবিরাজ আনোয়ার। এ সময় ভুক্তভোগী শিশুর চিৎকারে শুনে তার মা এগিয়ে যেয়ে মেয়েকে রক্ষা করেন। পরে স্থানীয়রা বিচারের মাধ্যমে বিষয়টি সমাধানের কথা বলে সময় নেন। শিশুটির মা সঠিক বিচার না পেয়ে ঘটনার এক সপ্তাহ পর ১৫ ফেব্রুয়ারি কবিরাজ আনোয়ার বেপারীসহ সাতজনকে আসামি করে হরিরামপুর থানায় নারী ও শিশু নির্যাতন এবং ধর্ষণচেষ্টার মামলা করেন।
.png)
মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা তদন্ত শেষে আনোয়ার বেপারীকে অভিযুক্ত করে এবং বাকি ছয়জনকে মামলা থেকে অব্যাহতি দিয়ে ২০১৫ সালের ১৮ ফেব্রুয়ারি আদালতে অভিযোগপত্র দাখিল করেন। উভয় পক্ষের যুক্তিতর্ক শেষে আনোয়ার বেপারী দোষী প্রমাণিত হওয়ায় বিচারক তাকে পাঁচ বছর সশ্রম কারাদণ্ড দেন। একইসঙ্গে তাকে ২০ হাজার টাকা অর্থদণ্ড, অনাদায়ে আরো ছয় মাসের সশ্রম কারাদণ্ড প্রদান করেন। অর্থদণ্ডের ২০ হাজার টাকা ভুক্তভোগী শিশুর পরিবারকে প্রদানের নির্দেশ প্রদান করেছেন বিচারক।