কুলাউড়া রেলওয়ে স্টেশনের মাস্টার রুমান আহমদ বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
রোববার সকাল ৯টা থেকে লাইনচ্যুত হওয়া উদয়ন এক্সপ্রেস ট্রেনের ক্ষতিগ্রস্ত বগিগুলোর উদ্ধার কাজ শুরু হয়। এতে সমশেরনগর রেলওয়ে স্টেশনে আটকা পড়ে ঢাকাগামী কালনী এক্সপ্রেস। পরে দুপুর ২টায় বগিগুলোকে উদ্ধার করে শ্রীমঙ্গল রেলওয়ে স্টেশনে নিয়ে যায় রিলিফ ট্রেন।
.png)
রোববার সকাল ১০টা ১৫ মিনিটে সিলেট থেকে ছাড়ার কথা ছিল পাহাড়িকা এক্সপ্রেস এবং আজ রাত ৯টায় চট্টগ্রাম থেকে সিলেটে আসার কথা ছিল উদয়ন এক্সপ্রেস ট্রেনের। কিন্তু শিডিউল বিপর্যয়ের কারণে সিলেট থেকে শনিবারের পাহাড়িকা এক্সপ্রেস ও উদয়ন এক্সপ্রেসের যাত্রা বাতিল করা হয়েছে। তাই আজ সিলেট ও চট্টগ্রাম রুটের কোনো ট্রেন চলাচল করবে না।
কুলাউড়া রেলওয়ে স্টেশনের মাস্টার রুমান আহমদ বলেন, আজ সকালে ক্ষতিগ্রস্ত বগিগুলোকে উদ্ধার করে শ্রীমঙ্গলে নেয়া হয়েছে। সেখান থেকে ভালোগুলোকে সিলেটে পাঠানো হবে। আর ক্ষতিগ্রস্তগুলোকে পাঠানো হবে আখাউড়ায়। যে সকল ট্রেনের যাত্রা বাতিল করা হয়েছে সেগুলোর টিকিটের মূল্য ফেরত দেওয়া হবে। সিলেট থেকে আজ বিলম্বে ছেড়ে যাওয়া পাহাড়িকায় যাত্রা করতে পারবেন যাত্রীরা।
শনিবার রেললাইনের পাশে লাইনচ্যুত ৩টি বগি রেখে রাত ৮টার দিকে প্রায় ১৫ ঘণ্টা পর সারা দেশের সঙ্গে ট্রেন যোগাযোগ স্বাভাবিক করে রেলওয়ে কর্তৃপক্ষ।
শনিবার ভোর ৫টার দিকে মৌলভীবাজারের কমলগঞ্জের লাউয়াছড়া জাতীয় উদ্যানের আমতলি এলাকায় ঝড়ে উপড়েপড়া গাছের সঙ্গে চট্টগ্রাম থেকে ছেড়ে আসা সিলেটগামী আন্তঃনগর উদয়ন এক্সপ্রেস ধাক্কা লেগে ট্রেনের ইঞ্জিনসহ ৩টি বগি লাইনচ্যুত হয়। এ ঘটনার কারণে চারটি ট্রেনের যাত্রা বাতিল করা হয়। রোববার আবার নতুন সিলেট চট্টগ্রাম রুটের দুইটি ট্রেনের যাত্রা বাতিল করা হলো।