বৃহস্পতিবার দিনব্যাপী শহর জুড়ে মানুষের মুখে-মুখে একটাই কথা ছিলো গরু বলে ঘোড়ার মাংস বিক্রি করে ঝুমুর হোটেল কর্তৃপক্ষ।
এর-আগে বুধবার রাতে পুলিশ ঝুমুর হোটেল ও কসাই চৌধুরীর গ্রামের বাড়ি চাঁদখালী থেকে ঘোড়ার মাংস উদ্ধার করে।
.png)
জানা যায়, মাদাম থেকে একটু অদূরে সান ঘাটা নামকস্থানে প্রতিদিন সন্ধ্যায় ঘোড়াগুলো জবাই করে কসাই চৌধুরী। পরে ওইখান থেকে ঘোড়ার মাংস ঝুমুর হোটেলসহ বিভিন্ন হোটেলে বিক্রি করেন তিনি। তথ্য পেয়ে পুলিশ ঘোড়ার মাংস উদ্ধার করে। আটক করে কসাই চৌধুরী ও ঝুমুর হোটেলের মালিক সবুজকে।
ঝুমুর সিনেমা হল এলাকার বাসিন্দা ও রিকশাচালক মো. শরীফ জানান, আমার রিকশায় করে কসাই চৌধুরী সান ঘাটা থেকে ঝুমুর হোটেলে মাংস দেয়। পরে শুনেছি মাংসগুলো ঘোড়ার মাংস।
সিএনজি চালক কবির বলেন, আমরা সবসময় এ ঝুমুর হোটেলে নাস্তা করি। অনেক সময় দুপুর বেলা মাংস দিয়ে খাবার খাই। আজ শুনলাম এ হোটেলে ঘোড়ার মাংস পাওয়া গেছে।
লক্ষ্মীপুর জজকোর্টের আইনজীবীর সহকারী রাসেল হোসেন বলেন, গরুর মাংস নয়, ঘোড়ার মাংস বিক্রি হয় হোটেলে বিষয়টি শুনে খুব খারাপ লাগছে। প্রশাসন যদি অভিযান পরিচালনা করে এসব অসাধু ব্যবসায়ীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেবে এমনটাই প্রত্যাশা সবার।
ঝুমুর হোটেলের স্বত্বাধিকারী (মালিক) মো. সবুজকে হোটেলে এসে পাওয়া যায়নি। তবে ম্যানেজার মো. মিজানুর রহমান বলেন, আমরা গরুর মাংস বিক্রি করি। একটি চক্র ও কসাই চৌধুরী ষড়যন্ত্র করে আমাদের ফাঁসানোর চেষ্টা করছে।
লক্ষ্মীপুর সদর মডেল থানার ওসি মোসলেহ উদ্দিন বলেন, খবর পেয়ে জিজ্ঞাসাবাদ করার জন্য কসাই চৌধুরী ও হোটেল মালিক সবুজকে এনেছি। মামলা দেওয়ার জন্য কোনো অভিযোগকারী বা সাক্ষী ছিলো না। মাংসগুলো কিসের পরীক্ষা করা সম্ভব হয়নি।