আহতরা হলেন, পালাশ রায় (৪০), নিধীর রায় (৪০), মিন্টু রায় (৪০), প্রমীলা রায় (৩০), সুবর্ণা রায় (২২), আমীম রায় (৩৮) ও স্বপন রায় (৩০)। আহতদের মাগুরা ২৫০ শয্যা হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।
পুলিশ ও স্থানীয়রা জানিয়েছে, সকালে অসীম রায় ও স্বপন রায়ের মধ্যে হাঁসের বাচ্চা মারা যাওয়ার বিষয়ে কথা-কাটাকাটি হয়। একপর্যায়ে অসীম রায়ের লোকজন ও স্বপন রায়ের লোকজনের ওপর হামলা করেন। এতে উভয়পক্ষের নারী-পুরুষ সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়েন।
.png)
বিষয়টির সত্যতা নিশ্চিত করেছেন মাগুরা সদর থানার ওসি শেখ সেকেন্দার আলী।
তিনি বলেন, মঘি ইউনিয়ন কেচুয়াঢুবি গ্রামে হাঁসের বাচ্চা মৃত্যুর ঘটনায় দুই পক্ষের সংঘর্ষ ঘটেছে। এতে উভয়পক্ষের লোকজন আহত হয়েছেন। আহতদের মাগুরা ২৫০ শস্যা সদর হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। ঘটনাস্থলে পুলিশ পাঠিয়েছি। এ ব্যাপারে থানা লিখিত অভিযোগ দিলে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।
এদিকে সংঘর্ষের ঘটনায় ভিন্ন কারণ দাবি করে আহত আসীম রায় জানান, বিদ্যালয়ে যাওয়ার পথে ৯ম শ্রেণি পড়ুয়া আমার মেয়েকে প্রতিবেশী প্রবীরের ছেলে হৃদয় রায় ও অমিত রায়, পরশ রায় দীর্ঘদিন ধরে উত্ত্যক্ত করেছিল। এর প্রতিবাদে তিন মাস আগে মাগুরা জজ কোর্টে একটি নারী ও শিশু নির্যাতন আদালতে মামলা করি। সেই মামলা তুলে নেয়ার জন্য নানাভাবে আমাকে হুমকি দিচ্ছিলেন প্রতিবেশী পলাশ রায় ও নিধীর রায়সহ অন্যরা। যার সূত্র ধরে আজ আমার বাড়িতে এসে হাতুড়ি ও ধারালো অস্ত্র দিয়ে আঘাত করে আহত করেন। আমার বাড়ি-ঘর ও মোটরসাইকেল ভাঙচুর করেছেন প্রতিপক্ষের লোকজন।