মঙ্গলবার সন্ধ্যা সাড়ে ৭টার দিকে উপজেলার কান্দি ইউনিয়নের গ্রামগুলোতে আঘাত হানে টর্নেডো।
জানা যায়, সন্ধ্যা সাড়ে ৭টার দিকে আকস্মিক ঝড় শুরু হয়। লোকজন কিছু বুঝে ওঠার আগেই মাত্র তিন মিনিটে সব কিছু লণ্ডভণ্ড হয়ে যায়। বেশিরভাগ কাঁচা ঘরবাড়ি ধসে পড়ে যায়। প্রতিটি গ্রামে উপড়ে পড়ে যায় শতশত গাছ। তিনটি বিদ্যুতের খুঁটি ভেঙে ও বিভিন্ন এলাকায় গাছের ডাল পড়ে তার ছিঁড়ে বিদ্যুৎ-সংযোগ বিচ্ছিন্ন হয়ে গেছে। ঝড়ের পাশাপাশি শিলাবৃষ্টিতে ধান, ভুট্টা, কলা, আম ও লিচুসহ বিভিন্ন মৌসুমি ফলেরও ব্যাপক ক্ষতি হয়েছে।
.png)
সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে কান্দি ইউনিয়নের কাবিলাপাড়া, বাঘমারা, মাঝবাড়ি, দোয়ানী, নিজপাড়া, দাদন, দেয়ানী, মনিরামপুর, দিগটারী, পূর্ব পাঠক শিকড় গ্রাম। এতে কাবিলাপাড়া গ্রামের ফুরফুরি বেগম ও সাহেদা বেগম গুরুতর আহত হয়।
ঝড়ে কান্দিরহাট স্কুল অ্যান্ড কলেজের একটি ভবন ধংসস্তুপে পরিণত হয়। ঘরের চাল ভেঙে মাটি পড়ে যায়। অধ্যক্ষ এবিএম মিজানুর রহমান জানান, এতে প্রতিষ্ঠানটির প্রায় ২০ লাখ টাকার ক্ষতি হয়েছে।
ক্ষতিগ্রস্তরা জানান, তিন মিনিটের ঝড়ে তাদের সব কিছু লণ্ডভণ্ড হয়ে গেছে। ফলে খোলা আকাশের নিচে আশ্রয় নিয়েছেন অনেকেই।
কান্দি ইউপি চেয়ারম্যান আব্দুস ছালাম আজাদ জুয়েল বলেন, ঝড়ে কান্দি ইউনিয়নের সহস্রাধিক পরিবার ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। মানুষের ঘরের চালের ঢেউটিন কাগজের মতো উড়ে গেছে। প্রায় বাড়ির কাঁচা বসতঘর লণ্ডভণ্ড হয়ে গেছে।
রংপুর পল্লী বিদ্যুৎ সমিতি-১ পীরগাছা জোনাল অফিসের ডিজিএম মোজাম্মেল হক বলেন, আগের দিনে ঝড়ে অন্তত ৩৫টি স্থানে বৈদ্যুতিক খুঁটি পড়ে গেছে। সেগুলো পরিবর্তনের কাজ চলছে। এরই মধ্যে নতুন করে কান্দিতে কয়েকটি স্থানে খুঁটি ভেঙে ও তার ছিঁড়ে বিচ্ছিন্ন হয়েছে বিদ্যুৎ সংযোগ।