এরই মধ্যে উপকূলীয় এলাকায় কমলনগর উপজেলা টিমের মাইকিং করে সচেতন করা হচ্ছে এবং নিরাপদ আশ্রয়কেন্দ্রে যেতে বলা হচ্ছে। এসব কাজে সহযোগিতাসহ অংশ নিচ্ছে ইউনিটের সাবেক যুব প্রধান ও সিনিয়র যুব সদস্যরা। একই সঙ্গে যুক্ত রয়েছেন সিপিপি সদস্যরাও।
স্থানীয় প্রশাসনের নেতৃত্বে থাকছে স্ব স্ব এলাকার জনপ্রতিনিধিরা। নদীর পানি কিছুটা বাড়লেও তেমন কোনো প্রভাব এখনো দেখা যায়নি। তবে উপকূলীয় মানুষ এখনো যার যার অবস্থানে আছে। কেউ আশ্রয়কেন্দ্রে যায়নি।
.png)
জেলা প্রশাসক মো. আনোয়ার হোছাইন আকন্দ জানান, জরুরি দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা নিয়ন্ত্রণ কক্ষ ও ৩টি হেল্পলাইন নম্বর চালু করা হয়েছে। সব সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীদের দুর্যোগকালীন কর্মস্থলে থাকার নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। দুর্যোগ থেকে মানুষ ও গৃহপালিত প্রাণী রক্ষায় ফায়ার সার্ভিস, জনপ্রতিনিধি ও রেড ক্রিসেন্টসহ স্বেচ্ছাসেবীরা কাজ করবে।