ঢাকা,  মঙ্গলবার   ০৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২৩ ভাদ্র ১৪৩৩

Advertisement
[ দেশজুড়ে ]

ঘূর্ণিঝড় মোখা’র ক্ষতির শঙ্কায় ধান কাটছেন কৃষকরা

লালমোহন (ভোলা) প্রতিনিধি
প্রকাশিত: ১৫:২৪, ১০ মে ২০২৩
ঘূর্ণিঝড় মোখা’র ক্ষতির শঙ্কায় ধান কাটছেন কৃষকরা
লালমোহনের পূর্ব চরউমেদ এলাকার কৃষকরা ক্ষেতের ধান কাটছেন। ছবি: ডেইলি বাংলাদেশ

ঘূর্ণিঝড় মোখায় ক্ষতির শঙ্কায় তাড়াহুরো করে ধান কাটছেন ভোলার লালমোহনের কৃষকরা। বিগত বছরগুলোতে ঝড়ে কৃষকের ধানের ব্যাপক ক্ষতি হওয়ায় এবছর  কৃষি অফিসের পরামর্শে আগেভাগেই ক্ষেতের ধান কেটে ফেলছেন তারা। এ বছর উপজেলায় বোরো ধানের বাম্পার ফলন হলেও ঝড়ের পূর্বাভাসে কৃষকরা কিছুটা ক্ষতির শঙ্কা করছেন। 

জানা যায়, চলতি বোরো মৌসুমে লালমোহনে আট হাজার ৫ শ হেক্টর জমিতে বোরো ধান আবাদের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়। তবে সেই লক্ষ্যমাত্রা ছাড়িয়ে এ বছর উপজেলায় ৯ হাজার ৯১৫ হেক্টর জমিতে ধানের আবাদ হয়েছে। যেখানে উন্নত জাতের ব্রি ধান-৭৪ ও ব্রি ধান-১০০ সহ বিভিন্ন জাতের ধান রয়েছে। 
 
উপজেলার রমাগঞ্জ ইউপির পূর্ব চরউমেদ এলাকার ধান চাষি মো. শাকিল পাটোয়ারি বলেন, ৪৮ শতাংশ জমিতে এ বছর ধান চাষ করেছেন তিনি। সামনে ঝড় আসতে পারে। এ কারণে একটু আগেই ধান কেটে ফেলতে হয়েছে তাকে। ক্ষেতে উৎপাদিত ধানে তার আয়-ব্যয় সমান। 

একই এলাকার আরেক চাষি মো. নোমান জানান, কৃষি অফিস থেকে নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে দ্রুত সময়ের মধ্যে ধান কাটার। যার জন্য ক্ষেতের ধান কেটে ফেলেছি। এখনও হিসেব করিনি। তবে ঘূর্ণিঝড়ে যে পরিমাণ ক্ষতি হতো, এখন ধান কাটায় তা সম্ভবত হবে না।

Advertisement

লালমোহন উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা মো. আবু হাসনাইন বলেন, ঝড়ে যেন কৃষকদের কোনো ক্ষতি না হয় সেজন্য আরো এক সপ্তাহ আগ থেকে ধান কাটার নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। উপজেলার ৭০ শতাংশ ধান কাটা হয়ে গেছে। আগামী দুই থেকে তিন দিনের মধ্যে একশ শতাংশ ধান কাটা সম্পন্ন হবে বলে আশা করছি। এছাড়া, একটু আগে হলেও ৮০ ভাগ পেকেছে এমন ধান কাটলে কৃষকদের কোনো ক্ষতি হবে না। তবে পুরোপুরি পাকার অপেক্ষায় থাকলে ধান ঝরে যাওয়ার সম্ভাবনা থাকে।
 

ডেইলি-বাংলাদেশ/এমকে
ট্যাগ: ভোলা
লিংক সফলভাবে কপি হয়েছে!