রোববার পিরোজপুর জেলা আদালতে প্রেরণ করা হলে তাদের জেল হাজতে পাঠানো হয়। তোহেবুর কাজী কাউখালী উপজেলার সদর ইউপির গোসনতারা গ্রামের মৃত মতিয়ার রহমানের ছেলে।
জানা যায়, কাউখালী উপজেলার সদর ইউপির গোসনতারা গ্রামের মৃত মতিয়ার রহমানের ছেলে মাহাবুব কাজীর স্ত্রী আলেয়া বেগমের সঙ্গে তার ছোট ভাই তোহেবুর কাজীর মধ্যে পরকীয়া প্রেমের সম্পর্ক সৃষ্টি হয়। বিষয়টি জানাজানি হলে এ নিয়ে দুই ভাইয়ের সঙ্গে ১৯৯৮ সালের ১৭ জুন কথা-কাটাকাটির এক পর্যায়ে মাহাবুব কাজিকে তার স্ত্রী আলেয়া বেগম ও ছোট ভাই তোহেবুর কাজি পূর্ব পরিকল্পনা অনুযায়ী হত্যা করে। পরে ছোট ভাই তোহেবুর কাজী তার ভাবি আলেয়া বেগমকে গোপনে বিয়ে করে পালিয়ে ঢাকায় চলে যায়। তারা পালিয়ে গিয়ে ঢাকায় যাত্রাবাড়ির কাজলা এলাকায় বাসা ভাড়া নিয়ে বসবাস করতে থাকে।
.png)
হত্যাকাণ্ডের পরদিন নিহতের আত্মীয় মুক্তি বেগম বাদী হয়ে তোহেবুর কাজী ও তার স্ত্রী (পূর্বের ভাবি) আলেয়া বেগমকে আসামি করে কাউখালী থানায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন।
কাউখালী থানার ওসি মো. জাকারিয়া হোসেন জাকির জানান, নিহতের ভাই ও তার স্ত্রীকে ২৫ বছর পর পুলিশ ঢাকার যাত্রাবাড়ি কাজলা থেকে গ্রেফতার করেছেন। গ্রেফতারকৃতরা ওই হত্যা মামলায় ১০ বছরের সাজাপ্রাপ্ত পলাতক আসামি। কাউখালীর থানা পুলিশ গোপন সংবাদের ভিত্তিতে তাদেরকে যাত্রাবাড়ি কাজলার বাসা থেকে গ্রেফতার করে কাউখালীতে নিয়ে আসেন।
এ মামলায় ২০০৫ সালের ৫ সেপ্টেম্বর পিরোজপুর অতিরিক্ত দায়রা জজ আদালত ১০ বছর সশ্রম কারাদণ্ড ও ৫ হাজার টাকা জরিমানা ও অনাদায়ে আরো ৬ মাসের সশ্রম কারাদণ্ডের আদেশ দেন।