বৃহস্পতিবার সকালে বাগানে থাকা বেশ কয়েকটি গাছে দুর্লভ মে ফ্লাওয়ার ফুল দেখতে পান তিনি। খবর পেয়ে এরই মধ্যে আশপাশের অনেক লোকজন এই ফুল দেখতে তার বাড়িতে ভিড় করছে।
মে ফ্লাওয়ারকে ‘দুর্লভ’ বলার কারণ- এ গাছে সারাবছর কোনো ফুল থাকে না। শুধু মে মাসেই এ ফুল প্রকৃতিতে তার অস্তিত্ব ও সৌন্দর্য জানান দেয়। এর নামকরণের কারণও এটাই। এ ফুল অনেকের কাছে ফায়ার বল, বল লিলি, গ্লোব লিলি, আফ্রিকান ব্লাড লিলি নামেও পরিচিত। এ ফুলের আয়ুষ্কাল এক সপ্তাহের বেশি হয় না। ফুল ধরার কিছুদিন পর এ গাছ মাটিতে মিশে যায়।
.png)
উজ্জ্বল লাল রঙের মাঝে হলুদ-সাদা আভার মিশ্রণে গোলাকার বল আকৃতির মে ফুলের গড়ন অনেকটা কদম ফুলের মতো। এ ফুল আকারে আরো বড় ও গন্ধহীন। ফুটন্ত মে ফুলের আকর্ষণীয় রূপ যে কাউকে করতে পারে বিমোহিত।
বাগানপ্রেমী ইকবাল আহাম্মদ খানের বাড়িতে গিয়ে দেখা যায়, ফুলবাগানে দৃষ্টিনন্দন সৌন্দর্য নিয়ে ফুটে উঠেছে মে ফ্লাওয়ার। ফুলটি ঘ্রাণহীন হলেও মে ফ্লাওয়ারের ফুলের সৌন্দর্য সবার নজর কাড়ছে। ফুলটিকে ঘিরে অনেকেই মেতে উঠেছে মোবাইলে ছবি ও সেলফি তোলার প্রতিযোগিতায়। তার বাড়িতে দেশি-বিদেশি বিভিন্ন প্রজাতির ফুল গাছ রয়েছে। প্রায় ৩০ বছর ধরে তিনি বাড়ির পাশাপাশি বিভিন্নস্থানে পরিবেশ বান্ধব নানা প্রকারের গাছ লাগিয়ে আসছেন।

ইকবাল আহাম্মদ খান বলেন, শখ করে নানা প্রজাতির ফুল গাছ দিয়ে বাগান তৈরি করেছি। এর মধ্যে মে ফ্লাওয়ার গাছও রয়েছে। মে ফ্লাওয়ারের আদি নিবাস আফ্রিকা হলেও আমাদের আবহাওয়ায় এই গাছ বেশ উপযোগী। তাই সৌন্দর্য উপভোগ করতে এখানে এই ফুল গাছ লাগানো হয়। মে মাস আসায় তার ফুল গাছে মে ফ্লাওয়ার ফুটেছে। মে ফ্লাওয়ার বেশি দিন স্থায়ী হয় না। ফুল ঝড়ে পড়ার পর পাতার সৌন্দর্য আরো কিছু দিন উপভোগ করা যায়।
ইকবাল আহাম্মদ খানের ছোট ভাই সাংবাদিক বাদল আহাম্মদ খান বলেন, আমার ভাইয়ের বাগানে বিভিন্ন প্রজাতির ফুলের পাশাপাশি ফলের গাছও রয়েছে। তিনি বাড়ির পাশাপাশি অন্যত্রও বিভিন্ন গাছ লাগান।
স্থানীয় আফরোজা আক্তার বলেন, এই বাড়িতে নানা প্রকারের ফুল ও ফলের গাছ রয়েছে। গাছে মে ফ্লাওয়ার ফুটেছে শুনে দেখতে এসেছি।