জানা যায়, ঈদের ছুটিতে গ্রামের বাড়ি ফিরেছেন সবাই। আর টানা ছুটিতে আত্মীয়-স্বজনকে একসঙ্গে পাওয়ার সুযোগে ঝালকাঠিতে চলছে বিয়ের ধুম। শহর কিংবা গ্রাম সবখানেই বাজছে বিয়ের সানাই। সম্প্রীতির বন্ধনে এ যেন ঈদকেন্দ্রিক বিয়ের সংস্কৃতিতে পরিণত হয়েছে।
শহরের কামিনী পুষ্পকুঞ্জের মালিক ইকবাল হোসেন বলেন, ঈদকেন্দ্রিক বিয়ে সংস্কৃতি শুরু হয় গত কয়েক বছর ধরে। আমাদের ঈদের আগের দিন থেকেই ব্যস্ততা শুরু হয়। চলে ঈদের চার থেকে পাঁচ দিন পর্যন্ত। বিয়ে গাড়ি এবং আসর সাজাতে চার থেকে পাঁচ দিন চলবে পুরোদমে কাজ।
.png)
শহরের একটি পার্লারে বউ সাজতে এসেছেন ফরজানা আক্তার। তিনি বলেন, জীবিকার কারণে আত্মীয়রা সারা বছর কর্মব্যস্ত থাকেন। কেবল বছরের এই ঈদ উৎসবেই নাড়ির টানে সবাই গ্রামের বাড়িতে আসেন। এ সময় আত্মীয়-স্বজন সবাইকে একসঙ্গে কাছে পাওয়ায় বিয়ের এ সামাজিক অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। তাছাড়া ঈদের সময় বিয়ে আয়োজন মজার হয়।
কাজী সমিতির সভাপতি বশির গাজী বলেন, ঈদ উপলক্ষে জেলার চার উপজেলায় কাজী অফিসগুলোতে বিয়ের রেজিস্ট্রি বেড়েছে। জেলায় প্রায় ৫ শতাধিক বিয়ে অনুষ্ঠিত হচ্ছে। সবমিলিয়ে বিয়ের উৎসব চলছে জেলাজুড়ে।